নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপত্তা বলয় তৈরী করতে হবে … এডভোকেট রানা দাস গুপ্ত
বাংলাদেশ হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট রানা দাস গুপ্ত বলেছেন, নির্বাচনের আগে সংখ্যালঘুদের সন্ত্রস্ত করার জন্য বিভিন্ন স্থানে হামলা-নির্যাতন করা হচ্ছে। নির্বাচন এ দেশের আড়াই কোটি মানুষের জন্য অভিশাপ নিয়ে আসে। এ সময় কেউ আমাদের আগে-পিছে দাড়ায় না। আগামী নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক দল এবং প্রশাসনকে এসব হামলা মোকাবেলা তথা সংখ্যালঘুদের জন্য নিরাপত্তা বলয় তৈরী করতে হবে।
তিনি শুক্রবার বিকালে পিরোজপুরে সংগঠনের জেলা সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন। তিনি আরও বলেন, স্বৈরাশাসক এরশাদ ইসলামকে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ধর্ম ঘোষণা করে আড়াই কোটি দেশপ্রেমিক সংখ্যালঘু জনগণকে দ্বিতীয় শ্রেনির নাগরিকে পরিনত করেছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে সংবিধান পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রীয় চার নীতি থেকে ধর্ম নিরপেক্ষতাকে রদ করা হয়েছে। যদিও ২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতা গ্রহণ করে সংবিধান পরিবর্তন করেছে কিন্তু রাষ্ট্র ধর্ম ইসলাম বহাল রাখা হয়েছে।
হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিষ্টান ঐক্য পরিষদ জেলা শাখার সম্মেলন উপলক্ষে অনুষ্ঠিত সভায় সংগঠনের জেলা আহ্বায়ক অধ্যাপক তুষার কান্তি মজুমদারের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি মন্ডলীর সদস্য ক্যাপ্টেন (অবঃ) শ্রী শচীন কর্মকার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মনিন্দ্র কুমার নাথ, সাংগঠনিক সম্পাদক সুখেন্দ্র শেখর বৈদ্য, এডভোকেট চন্ডী চরণ পাল, এডভোকেট এম. এ. মান্নান, এডভোকেট এম. এ. হাকিম হাওলাদার, ইসাহাক আলী খান পান্না, এডভোকেট খান মোঃ আলাউদ্দিন, গৌতম কুমার সাহা প্রমুখ।
সম্মেলনে তুষার কান্তি মজুমদারকে সভাপতি, গৌতম কুমার সাহাকে সাধারণ ও দিপঙ্কর মাতাকে কোষাধ্যক্ষ করে সংগঠনের জেলা কমিটি করা হয়।
