পিরোজপুর জেলা বাস মালিক সমিতির সংবাদ সম্মেলন : জেলার পরিবহণ সেক্টর চাঁদাবাজি মুক্ত বলে দাবী
পিরোজপুর জেলার যাত্রী পরিবহণ সেক্টর চাঁদাবাজি মুক্ত বলে দাবী করেছেন জেলা বাস, মিনিবাস, কোচ ও মাইক্রোবাস মালিক সমিতি।
শুক্রবার পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক এ দাবী করেন।
সমিতির সভাপতি জসীম উদ্দিন খান এক লিখিত বক্তব্যে জানান, পিরোজপুর জেলায় যে বাস চলাচল করে সেখান থেকে সাড়ে তিন বছর ধরে সমিতির পক্ষ থেকে কেউ চাঁদা আদায় করেন না। সমিতির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু সম্প্রতি এ সংক্রান্ত যে অভিযোগ উত্থাপন করেন তা সঠিক নয়। পাশাপাশি আক্তারুজ্জামান ফুলু’র উস্কানীতে একদল যুবক-কিশোর সমিতির সভাপতি জসীম উদ্দিন খানসহ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ এনে শহরে একাধিক বিক্ষোভ মিছিল করেন। এছাড়া এ বিক্ষোভকালে শহরের একটি দূরপাল্লা পরিবহরণের তিনটি গাড়ী ভাংচুর এবং কাউন্টারে তালা লাগিয়ে কাউন্টার বন্ধ করে দেয়া হয়। পরে পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে কাউন্টার খুলে দেয়া হয়। এই মিছিল থেকে বাস মালিক সমিতির বিরুদ্ধে যে চাঁদাবাজির অভিযোগ আনা হায় তা ভিত্তিহীন ও মিথ্যা বলে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সমিতির সদস্য আক্তারুজ্জামান ফুলু দীর্ঘদিন ধরে পিরোজপুর থেকে চলাচলকারী দূরপাল্লার পরিবহণ ও জেলার অভ্যন্তরীণ পরিবহণ থেকে অবৈধ চাঁদা নেওয়ার প্রস্তাব করে আসছিলেন। সাম্প্রতিক সমিতির এক সাধারণ সভায় এই প্রস্তাব করা হলে তা নাকচ হয়ে যায় এবং উক্ত সাধারণ সভায় এ বিষয়টি নিয়ে ফুলুর নেতৃত্বে হৈ চৈ করা হয়।
জসীম উদ্দিন খান আরও বলেন, আক্তারুজ্জামান ফুলু দূরাপাল্লার পরিবহণ ও লোকাল গাড়ী থেকে যে চাঁদা তোলার দাবী তোলেন তাতে জসীম খানসহ সমিতির কর্মকর্তা সম্মত হন নি। এছাড়া বিগত সমিতির নির্বাচনে ফুলুকে সমিতির সাধারণ সম্পাদক না করায় জসীম খান ও তার পরিবারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অপপ্রচার ও কুৎসা রটানো হচ্ছে। উপরন্ত যাত্রী পরিবহণ সেক্টর থেকে চাঁদা তোলায় ফুলু ব্যর্থ হয়ে জসীম খানের চরিত্র হননের অপচেষ্টা চালাচ্ছেন। সমিতির সাধারণ সদস্যগণ ফুলুর এই মিথ্যাচার ও অপপ্রচারের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এহেন কাজ থেকে ফুলুকে বিরত থাকতে আহ্বান জানিয়েছেন।
এ সংবাদ সম্মেলনে সমিতির সাধারণ সম্পাদক রতন কুমার চক্রবর্তী, সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুস সালাম খান, সহ-সভাপতি নজরুল ইসলাম, সিনিয়র সদস্য নিখিল চন্দ্র মুখার্জীসহ বেশ কয়েকজন বাস মালিক উপস্থিত ছিলেন।
