প্রধান সূচি

দেশকে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার আন্দোলনকে বেগবান করছে ছাত্রলীগ : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বাংলাদেশকে রক্ষা করতে, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে রক্ষা করতে, শেখ হাসিনার অগযাত্রাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে ছাত্রলীগকে অতন্দ্র প্রহরীর ভূমিকায় অবতীর্ন হতে হবে।
তিনি ছাত্রলীগের প্রতিটি কর্মীকে উদ্দেশ্য কওে বলেন, নতুন প্রজম্মকে আর্দশ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। দেশের সব সংগ্রামে গৌরবোজ্জল ভূমিকা ছিল ছাত্রলীগের। তাই আগামীতেও ছাত্রলীগকে সঠিক দয়িত্ব পালন করতে হবে। দেশকে অভিষ্ট লক্ষ্যে পৌঁছে দেওয়ার জন্য আন্দোলন ছিল সেই আন্দোলনকে বেগবান করেছে ছাত্রলীগ। আজ ছাত্রলীগ ঐক্যবদ্ধ। ছাত্রলীগ একটি শান্তিপ্রিয় সংগঠন। প্রধানমন্ত্রী মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। আর এই যুদ্ধে জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগ মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করবে। ছাত্রলীগের কর্মীদের মাদক, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও নৈতিকতার প্রশ্নে আপোষহীন থাকতে হবে। বঙ্গবন্ধু ছাত্রলীগের রাজনীতিকে উজ্জিবিত করে হয়েছিলেন ছাত্রলীগের প্রাণ পুরুষ। বাংলাদেশের যা কিছু গৌরবময় অর্জন এই সকল অর্জনের কৃতিত্বের সম্মুখ সারির দাবিদার বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। ১৯৬৯ এর গণ-অভ্যুত্থানের, ৬২ শিক্ষা কমিশনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৫৮ সালে সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে আন্দোলন, ১৯৬৬ সালে বঙ্গবন্ধুর ৬ দফাকে মানুষের দ্বারে দ্বারে পৌঁছানো এবং ১৯৭০ এর নির্বচনে ছাত্রলীগের ছিলো গৌরব উজ্জল ভুমিকা। এছাড়া বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর ছাত্রলীগই প্রথম প্রতিরোধ গড়ে তোলে।
বুধবার বিকেলে পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ স্বাধীনতা মঞ্চ মাঠ প্রাঙ্গনে উপজেলা ছাত্রলীগের আয়োজনে সমাবেশের প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী বলেন, ছাত্রলীগের একজন কর্মী ছিলাম সেটা নিয়ে আমি গর্ববোধ করি। যড়যন্ত্রকারীরা বহুবার মারতে চেয়েছিলো আমাকে। কিন্তু প্রাণে বেঁচে আছি এখন আওয়ামী লীগের কর্মী হিসেবে কাজ করতে পারছি এটাই গর্বের। আমি জিয়াউর রহমানের ভয়াবহ সামরিক শাসনের সময় ছাত্রলীগের কর্মী হিসেবে ছাত্রদের ম্যান্ডেট পেয়েছিলাম। তখনও বেশ কয়েকবার আমাকে মেরে অজ্ঞান অবস্থায় হত্যার উদ্দেশ্যে রেল লাইনের ফেলে আসা হয়েছিলো। আজ আমার আবার ফিরে যেতে ইচ্ছে করে সেই আশির দশকে। যখন আমি ছাত্রলীগের কর্মী ছিলাম।
মন্ত্রী প্রত্যেকটি ছাত্রলীগের কর্মীকে মাদকের বিরুদ্ধে সোচ্চার, দুর্নিতীর বিরুদ্ধে সোচ্চার, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সোচ্চার ও নৈতিকতার প্রশ্ন এবং মূল্য বোধের প্রশ্নে আপোষহীন থাকার আহবান জানান। এ সময় মন্ত্রী সকলকে লেখাপড়ার দিকে মনোযোগি হওয়ার কথা বলেন।
তিনি বলেন, জিয়াউর রহমান ছাত্রদের হাতে অস্ত্র এবং টাকা তুলে দিয়েছিল। শেখ হাসিনা ছাত্রদের হাতে বই এবং কলম তুলে দিয়েছেন। বঙ্গবন্ধুর ভাষণগুলো শুনবেন তিনি কিভাবে ছাত্রলীগকে কর্মসূচি পালনের জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। ভালো লেখাপড়া করে আগামী দিনের নেতৃত্বে হিসাবে তোমাদেরকে প্রতিষ্ঠিত হতে হবে। উপজেলা ছাত্রলীগের সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পিরোজপুর জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি অনিরুজ্জামান অনিক।
নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক তরিকুল ইসলাম চৌধুরী তাপসের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইফতেখার মাহমুদ সজল, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের সহ-সম্পাদক এম. সাইফুল ইসলাম সাইফ, নাজিরপুর উপজেলা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহবায়ক শেখ মো. আল আমিন, মো. নাঈম হাওলাদার প্রমুখ।
এসময় জেলা আওয়ামী লীগের মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক সম্পাদক গৌতম রায় চৌধুরী, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান শেখ মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. শাহ আলম ফরাজী, ইউপি চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নু, বীর মুক্তিযোদ্ধা এস এম নজরুল ইসলাম বাবুল, অ্যাডভোকেট নিজন কান্তি বিশ্বাস, জেলা পুজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুখরঞ্জন বেপারী, জেলা আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগে আহবায়ক সিকদার চাঁন, জেলা যুবলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান জিয়া, কলাখালী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক ও সাবেক ইউপি চেয়াম্যান মো. দিদারুজ্জামান শিমুল, জেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ-সভাপতি মোস্তাফিজুর রহমান সোহাগ, উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক চঞ্চল কান্তি বিশ্বাস, নাজিরপুর মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহারিয়ায় ফেরদাউস রুনাসহ জেলা ও উপজেলা ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial