বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতুতে বিনোদন প্রিয় মানুষের উপচেপড়া ভীড়। রাত থেকে শুরু হবে যানবাহন চলাচল
পিরোজপুরের বেকুটিয়ায় ‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী’ সেতুকে ঘিরে বিনোদনপ্রিয় এবং কৌতুহল মানুষের উপছে পড়া ভীড়।
বরিবার সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চ্যুয়ালী সেতু উদ্বোধন করেন। সেতু উদ্বোধনের পর দুপুর ১২ থেকে সেতু দেখার জন্য সর্বসাধারণের জন্য খুলে দেওয়া হয়। তবে সেতু থেকে যানবাহন চলাচল এদিন বন্ধ ছিল।
সেতু কর্তৃপক্ষ জানায়, সেতু উদ্বোধনের পর দর্শনার্থীদের জন্য সেটি খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে রবিবার রাত ১২টা ০১ মিনিট থেকে যানবাহন চলাচল শুরু হবে।
এদিকে, সেতু উদ্বোধনের পর সেতুটি দেখার জন্য মূল সেতু দুই পাড়সহ সেতুর ঢাল ও আশেপাশের এলাকায় মানুষের বাঁধ ভাঙ্গা ঢেউ এর মতো দেখা গেছে। বিশেষ করে বিকেল ৩টা থেকে সেতুতে ছিল মানুষের ভীড় আর ভীড়। সেই সাথে তাদের মধ্যে অনাবিল আনন্দ। সেতু উদ্বোধনকে ঘিরে সেতুর এ্যাপ্রোচ রোড ও সেতুর ঢালে বিভিন্ন ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী পসরা সাজিয়ে বসেছিলেন।
পিরোজপুর সদর, কাউখালী, রাজাপুর, ঝালকাঠি, বরিশাল, ভান্ডারিয়া, ইন্দুরকানী, স্বরূপকাঠী, মঠবাড়িয়া, বাগেরহাট, এমনকি খুলনা থেকেও মানুষজন এসেছে সেতু দেখতে। সেতুতে ঘুরতে এসেছেন পরিবার পরিজন নিয়ে।
‘বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব অষ্টম বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী’ সেতুর প্রকল্প ব্যবস্থাপক ও সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকেীশলী মাসুদ মাহমুদ সুমন জানান, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী সেতু উদ্বোধনের পরে তা সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। তারা পায়ে হেটে সেতুতে উঠে ঘুরতে পারছেন। তবে এদিন কোন যানবাহন চলাচল করতে দেওয়া হয় নি। রাত ১২টা ০১ মিনিট থেকে যানবাহন চলাচলের জন্য ছেড়ে দেওয়া হবে।

এদিকে, সরকারীভাবে সেতুর টোলও নির্ধারণ করা হয়েছে। সেতু পারাপারে ট্রেইলারের ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৩১৫ টাকা, হেভী ট্রাক ২৫০ টাকা, মিডিয়াম ট্রাক ১২৫ টাকা, বড় বাস ১১৫ টাকা, মিনি ট্রাক ৯৫ টাকা, কৃষিকাজে ব্যবহৃত যান ৭৫ টাকা, মিনিবাস ও কোষ্টার ৬৫ টাকা, মাইক্রোবাস ৫০ টাকা, ফোর হুইল চালিত যানবাহন ৫০ টাকা, সিডান কার ৩০ টাকা, ৩/৪ চাকার মোটরাইজড যান ১৫ টাকা, মোটর সাইকেল ৫ টাকা এবং রিক্সা/ভ্যান/বাইসাইকেল/ঠেলাগাড়ি ৫ টাকা। রবিবার রাত থেকেই এই হারে যানবাহন থেকে টোল আদায় করা হবে।
