বাগেরহাটে পুলিশের এসআই রবিউলের উপর হামলাকারী গ্রেফতার
বাগেরহাটের কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করার মামলার প্রধান আসামী মো. মেহেদী হাসান ওরফে জুয়েল (২৭) ও তার সহযোগী মো. রুবেল মোল্লা (২৮)কে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
বুধবার রাত ২টার দিকে পিরোজপুর সদর উপজেলার কলাখালী ইউনিয়ন থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয়। এসময় তাদের কাছ থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ২টি ম্যাগাজিন ও ৮ রাউন্ড পিস্তলের গুলি উদ্ধার করা হয়।
বৃহস্পতিবার দুপুরে র্যাব-৬ খুলনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে র্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাক আহমেদ এসব তথ্য জানান।
গ্রেফতারকৃত মো. মেহেদী হাসান জুয়েল কচুয়া উপজেলার সম্মানকাঠি গ্রামের মৃত ইতরুপ শেখের ছেলে। তার সহযোগী মো. রুবেল মোল্লা একই উপজেলার চরসোনাকুর গ্রামের মো. মহসিন মোল¬ার ছেলে।
মো. মেহেদী হাসান ওরফে জুয়েল পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে আহত করার মামলার প্রধান আসামী। এছাড়া জুয়েলের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে কচুয়া থানায়। গ্রেফতারকৃতদের কচুয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
র্যাব-৬ এর অধিনায়ক লে. কর্নেল মোস্তাক আহমেদ বলেন, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলামের উপর হামলাকারী মেহেদী হাসান ওরফে জুয়েল ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এসময় তাদের কাছ থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতদের কচুয়া থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।
মামলার বরাত দিয়ে তিনি আরও বলেন, গত ২০ মার্চ রাতে কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) রবিউল ইসলাম উপজেলার সম্মানকাঠি এলাকায় মাদক উদ্ধার অভিযান ও গ্রেফতারী পরোয়ানা তামিল করতে যান। সন্দেহভাজন হিসেবে দেহ তল্ল¬াশী করার সময় মেহেদী হাসান ওরফে জুয়েল দৌঁড়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জনসহ ধারালো অস্ত্র রামদা নিয়ে ঘটনাস্থলে ফিরে এসে কর্তব্যরত এসআই রবিউল ইসলামকে কুপিয়ে পালিয়ে যায়। পরদিন ২১ মার্চ জুয়েলকে প্রধান আসামী করে কচুয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
