এহসান গ্রুপের এমডি রাগীব আহসান ও তার তিন ভাই ৪ মামলায় শ্যোন এ্যারেষ্ট
অধিক মুনাফার প্রলোভন দেখিয়ে গ্রাহকদের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে গ্রেফতারকৃত পিরোজপুরে এহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুফতি মাওলানা রাগীব আহসান ও তার অপর তিন ভাইকে ৪ মামলায় শ্যোন এ্যারেষ্ট দেখানো হয়েছে।
বুধবার তাদেরকে পিরোজপুর আদালতে হাজির করে দায়েরকৃত অপর ৪টি মামলায় শ্যোন এ্যারেষ্ট দেখানো হয়। পরে পিরোজপুরের অতিরিক্ত চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ইকবাল মাসুদ তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন। বিষয়টি আসামী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট আকরাম আলী মোল্লা নিশ্চিত করেছেন।
জেলা আইনজীবী সমিতির সদস্য ও মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এমডি নুরুল ইসলাম সরদার শাহজাহান জানান, মামলাগুলো সিআইডির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ডিআর, সিআর, অনেক মামলা তদন্তে আছে। পর্যায়ক্রমের এসব মামলার বিচার কার্যক্রম শুরু হবে।
উল্লেখ্য, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে পিরোজপুর সদর থানায় এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা দায়ের করা। এসব মামলায় এহসান গ্রুপের ব্যবস্থপনা পরিচালক মুফতি মাওলানা রাগীব আহসান, তার অপর তিন ভাই সহকারী পরিচালক আবুল বাসার, পরিচালনা কমিটির সদস্য ও তার অপর দুই ভাই মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মো. খাইরুল ইসলামকে আসামী করা হয়।
গত ৯ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার তোফখানা এলাকা থেকে এহসান গ্রুপের চেয়ারম্যান মুফতি মাওলানা রাগীব আহসান এবং তার ভাই আবুল বাশারকে গ্রেফতার করে র্যাব-১০। তার অপর দুই ভাই মাওলানা মাহমুদুল হাসান ও মো. খাইরুল ইসলামকে একই দিন বিকেলে পিরোজপুর সদর উপজেলার খলিশাখালী গ্রামের নিজ বাড়ি এলাকা থেকে গ্রেফতার করে পিরোজপুর থানার পুলিশ।
এহসান গ্রুপের গ্রাহক ও ফিল্ড অফিসার পিরোজপুর সদর উপজেলার তেজদাসকাঠী এলাকার বাসিন্দা হারুন অব রশীদ বাদী হয়ে দায়েরকৃত মামলায় গ্রেফতারকৃত রাগীব আহসান ও তার তিন ভাইকে ৭ দিনের রিমান্ডে নেয় আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২১ সেপ্টেম্বর তাদের আদালতে হাজির করা হলে বিচারক তাদের পুনরায় কারাগারে প্রেরণ করেন।
এদিকে, পিরোজপুর সদর থানায় এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৫টি মামলা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সিআইডি ও পিবিআইতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি মামলা সিআইডিকে এবং একটি মামলা পিবিআইকে তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
