রিমান্ড শেষে এহসান গ্রুপের রাগীব আহসান ও তার তিন ভাই ফের কারাগারে
অধিক মুনাপা দেওয়ার আশ্বাস দিয়ে প্রতারণা ও জালিতাতির মাধ্যমে লক্ষাধিক গ্রাহকের কয়েক হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের মামলায় পিরোজপুরের এহসান গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মুফতি মাওলানা রাগীব আহসান ও তার তিন ভাইকে ফের বারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। ৭ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার তাদের পিরোজপুর অতিরিক্ত চীফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে বিচারক আদালতের বিচারক তাদের কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
এদিকে, এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ৫টি মামলার তদন্তভার সিআইডি ও পিবিআইকে দেওয়া হয়েছে।
পিরোজপুর সদর থানার এস আই কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম জানান, অর্থ আত্মসাৎ ও প্রতারণার মামলায় এহসান গুপের কর্নধার রাগীব আহসান ও তার ভাইদের আদালতের নির্দেশে ৭ দিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করা হয়। আদালত তাদের কারাগারে প্রেরণ করেছেন। তিনি জানান, রিমান্ডে এনে আসামীদের কাছ থেকে কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া গেছে তদন্তের স্বার্থে তা প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না।
মামলার বাদী পক্ষের আইনজীবী এডভোকেট নুরুল ইসলাম সরদার শাহজাহান জানান, একটি মামলায় রাগিব আহসান ও তার তিন ভাইকে ৭ দিনের রিমান্ড শেষে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করেছে পুলিশ। আদালত তাদের পুনরায় কারাগারে প্রেলন করা হয়েছে।
আদালতের সরকারী কৌশলী (পিপি) এডভোকেট খান মো. আলাউদ্দিন জানান, প্রতারণার মামলায় রিমান্ড শেষে রাগিব আহসান ও তার ৩ ভাইকে আদালতে হাজির করা হলে তাদের পক্ষে জামিন আবেদন করেছিল। আদালত তাদের জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে প্রেরণ করেছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি আ. জ. মো. মাসুদুজ্জামান জানান, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ এর অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় রাগীব আহসান ও তার তিন ভাইকে ৭ দিনের রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে আদালতের মাধ্যমে তাদের কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে। তিনি জানান, জিজ্ঞাসাবাদে রাগীব আহসান এহসান গ্রুপের মাধ্যমে গ্রাহকদের কাছ থেকে ১৪৫ পকপল ১৫০ কোটি টাকা নেওয়ার কথা জানিয়েছে। তিনি আরও আজান, পিরোজপুর সদর থানায় এহসান গ্রুপের বিরুদ্ধে ৫টি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলাগুলো উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে সিআইডি ও পিপিবআইতে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি মামলা সিআইডিকে এবং একটি মামলা পিবিআইকে তদন্তের ভার দেওয়া হয়েছে।
