প্রধান সূচি

করোনাভাইরাস পরিস্থিতি

পিরোজপুরের বাজারে উপচে পড়া ভীড় ॥ মানা হচ্ছেনা স্বাস্থ্যবিধি

করোনাভাইরাস সংক্রমণ রোধে দীর্ঘদিন লকডাউন থাকার পরে ঈদকে সামনে রেখে পিরোজপুরের মার্কেট ও দোকানগুলো খুলে দেওয়ার পর থেকে বাজারে মানুষের ভীড় উপচে পড়ছে। শাড়ি-কাপড়, তৈরী পোশাক, জুতা, কসমেটিক্সসহ মহিলাদের আইটেমের দোকানগুলোতে ভীড় বেশী। ক্রয়-বিক্রয়ে মানা হচ্ছে না কোন সামাজিক দূরত্ব ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিধি-নিষেধ।
দুপুর ১২টার পর থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত এসব দোকান খোলা থাকছে। তবে ক্রেতারা দোকান খোলার আগেই এসে দোকানগুলো সামনে অপেক্ষা করছে।
পিরোজপুর জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব জানান, করোনা পরিস্থিতির কারণে সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত মাছ-মাংস, মুদি-মনোহরী দোকান এবং দুপুর ১২টা থিকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত শাড়ি শাড়ি-কাপড়, তৈরী পোশাক, জুতা, কসমেটিক্স এর দোকান খোলা রাখার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। একই সাথে দোকানগুলোতে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখাসহ হাত ধোয়ার ব্যবস্থা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এছাড়া বাজারের বিভিন্ন গলিতে মাইক টানিয়ে করোনা বিষয়ে সচেতনতামূলক প্রচারণা করা হচ্ছে।
পিরোজপুর পৌরবাজারে যানজট এড়াতে এবং সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে কাজ করছে পুলিশ ও ট্রাফিক বিভাগ। মূল বাজারের ঢোকার বিভিন্ন পয়েন্টে প্রতিবন্ধকতা দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিয়েছে। বাজারে পুলিশের কয়েকটি টিম টহল দিচ্ছে এবং করোনাভাইরাস সংক্রমণ প্রতিরোধে সচেতনতামূলক প্রচারণা চালাচ্ছে।
পিরোজপুর সদর থানার ওসি নুরুল ইসলাম বাদল জানান, বাজারের মার্কেট ও দোকানসমূহ খুলে দেওয়ার কারণে যাতে অতিরিক্ত জনসমাগম না হয় এবং বাজারের আইন-শৃংখলা বজায় রাখার লক্ষে পুলিশ সার্বক্ষনিক বাজারে অকস্থান ও টহল দিচ্ছে।
পিরোজপুর জেলায় এ পর্যন্ত ২৮ জন করোনা আক্রান্ত রোগী সনাক্ত হয়েছে। এরমধ্যে সদর উপজেলায় ১২ জন, ভান্ডারিয়া উপজেলায় ৯ জন, মঠবাড়িয়া উপজেলায় ৫ জন, কাউখালী উপজেলায় ১ জন এবং স্বরূপকাঠী উপজেলায় ১ জন। করোনা পজেটিভ থেকে সুস্থ হয়েছেন ৪ জন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial