বাগেরহাটে বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রতিপক্ষে ঘর নির্মানের চেষ্টা
বাগেরহাটের কচুয়ায় বিরোধপূর্ণ জমিতে প্রতিপক্ষের ঘর নির্মানের চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করেছে বাদী পক্ষ। উপজেলার আলীপুর গ্রামের অসহায় মর্জিনা বেগমের জমি দখল করছে প্রভাবশালী প্রতিপক্ষ। প্রভাবশালী প্রতিপক্ষের হুমকিতে রয়েছে ওই পরিবারটি। তাদের বিরুদ্বে কেউ এলাকার কেউ মুখ খুলতে সাহস পায় না। বাদির পরিবারটি পুলিশ প্রশাসনের উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন।
মর্জিনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, আমাদের দরিদ্র পরিবারে জন্ম। মাথার গোজার ঠাঁই হিসেবে ১৯৯৭ সালে আমরা ১০ ভাই বোন মিলে সাড়ে ১৩ শতক জমি ক্রয় করে ৬ শতক জমির উপর ঘর নির্মান করে ২২ বছর ধরে বসবাস করছি। কিন্তু আমাদের বসতঘরের পাশে বাকি জমিতে একটি পুকুর ছিল। ৬ মাস আগে হঠাৎ একই এলাকার মৃত মোসলেম উদ্দিনের ছেলে যশোর জেলায় কর্মরত পুলিশের এসআই সহিদুল ইসলাম, তার ভাই হত্যা চেষ্টা মামলার আসামী হাফিজুর রহমানসহ তার স্বজনরা আমাদের ওই জমি জবর দখলের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে ন্যায় বিচারের আশায় আমি আদালতে মামলা দায়ের করি। মামলাটি চলমান রয়েছে। এরপরে তারা ওই জমি দখলে মরিয়া হয়ে ওঠে। আমরা বাঁধা দিলে তারা আমাদের মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এক পর্যায়ে আমরা কচুয়া থানা পুলিশের শরনাপন্ন হই। তারা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে উভয় পক্ষকে ডেকে বিরোধপূর্ন জমিতে কেউকে যেতে নিষেধ করে। তারপরও তারা ওই জমিতে ঘর নির্মানের চেষ্টা অব্যাহত রাখলে শনিবার দুপুরে আদালতের নির্দেশনা না দেখাতে পারায় কাজ বন্ধ করে দেয় পুলিশ।
এ বিষয়ে এসআই সহিদুল ইসলাম বলেন, আমি দেড় শতক জমি ক্রয় করেছি। বাদির করা নিষেধাজ্ঞা আদালত খারিজ করে দেয়ায় আমি নির্মান কাজ করছি। তবে ওই আদেশটি রবিবার হাতে পাবো।
কচুয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. জহিরুল হক বলেন, বাদীর অভিযোগের প্রেক্ষিতে আমরা ঘটনাস্থলে যাই। আদালতের নির্দেশ ছাড়া ওই জমিতে কোন কাজ করতে নিষেধ করা হয়। এক পর্যায়ে বিবাদী পক্ষ আদালতের কোন নির্দেশনা দেখাতে না পারায় সংঘাত এড়াতে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
