সাবেক এমপি একেএমএ আউয়ালের সংবাদ সম্মেলন
দুর্নীতির অভিযোগে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) এর দায়ের করা মামলায় সস্ত্রীক জামিন পাওয়ার পরদিনই বুধবার সংবাদ সম্মেলন করেছেন জামিনপ্রাপ্ত পিরোজপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য এবং জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি একেএমএ আউয়াল।
পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে একেএমএ আউয়ালের স্ত্রী লায়লা পারভীনসহ তাদের আইনজীবী এবং আওয়ামী লীগের জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মঙ্গলবার একেএমএ আউয়াল এবং তার স্ত্রী জেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি লায়লা পারভীন পিরোজপুর জেলা ও দায়রা জজ আদালতে হাজির হওয়ার পর দুপুর ১২ টার দিকে তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন ওই আদালতের বিচারক মো. আব্দুল মান্নান। এর সাড়ে তিন ঘন্টা পর ওই বিচারককে বদলি করে যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নাহিদ নাসরিনকে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরবর্তীতে বিকেলে একেএমএ আউয়ালের আইনজীবীরা তাদের জামিনের বিষয়টি পুনঃবিবেচনার জন্য আবেদন করলে ভারপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ নাহিদ নাসরিন তা মঞ্জুর করে বিকেল ৪টার দিকে আউয়াল দম্পতিকে জামিন দেন।
এদিকে, বুধবার অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে সাবেক সাংসদ একেএমএ আউয়াল অভিযোগ করেন, আইনগতভাবে তার জামিন পাওয়ার অধিকার থাকলেও পিরোজপুর-১ আসনের বর্তমান সংসদ সদস্য এবং মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এর হস্তক্ষেপে বিচারক প্রথমে তাদের জামিন আবেদন না মঞ্জুর করেন। দুদক শ. ম. রেজাউল করিম এর দ্বারা প্রভাবিত হয়েই তার বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে দাবি করে আউয়াল বলেন, তার বিরুদ্ধে যে সকল অভিযোগ আনা হয়েছে তার সবগুলোই ভিত্তিহীন।
এদিকে, মঙ্গলবার দুপুরে একেএমএ আউয়াল দম্পত্তিকে জামিন না দেওয়ার আদেশের পরে আদালত চত্বর, জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলায় বিক্ষোভ, রাস্তায় গাছের গুড়ি ফেলে অবরোধ, রাস্তায় টায়ার জ্বালিয়ে আগুন দেয়া, ছাত্রলীগ নেতার অফিস ভাংচুর, হরতালের শ্লোগান দিয়ে শহরের দোকাটপাট বন্ধ করে দেওয়ার ঘটনার সাথে দলীয় নেতা-কর্মী বা তার (একেএমএ আউয়াল) সমর্থকরা জড়িত নন বলে সংবাদ সংবাদ সম্মেলনে দাবী করা হয়।
