প্রধান সূচি

কাউখালীতে বিকাশ এ্যাকাউন্টের মাধ্যমে টাকা হাতিয়ে নিয়েছে প্রতারক চক্র

আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির মধ্যেই বিকাশ প্রতারক চক্র সক্রিয় রয়েছে। প্রতিদিনই মোবাইল ফোন অপারেটর পাল্টে মানুষকে ফোন দিয়ে হাতিয়ে নিচ্ছে টাকা। সচেতনদের কাছ থেকে না নিতে পারলেও গ্রামগঞ্জের সহজ সরল মানুষরা পড়ছেন এদের ফাঁদে। কখনো তরুন আবার কখনো তরুণীদের দিয়ে বিকাশ কাস্টমার কেয়ারের পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করা হচ্ছে।

সম্প্রতি প্রতারক চক্রটি এলাকায় ব্যাপক অপতৎপরতা শুরু করেছে। এলাকাবাসী তাদের খপ্পরে পড়ে লাখ লাখ টাকা ক্ষতির শিকার হচ্ছেন। এ নিয়ে থানায় বিভিন্ন সময় জিডি হলেও এখন পর্যন্ত প্রশাসন প্রতারক চক্রটির কোনো তথ্য উদঘাটন করতে পারেনি।

গত সোমবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে পিরোজপুরের কাউখালীর উজিয়ালখান গ্রামের একজন গৃহিনীকে ০১৭৪৫৪৬৪৭৮১ নম্বর থেকে ফোন করে এক প্রতারক। বিকাশের এজেন্ট পরিচয় দেয়ার পর বলা হয় আপনার বিকাশে সর্বশেষ টাকা নিয়েছেন (তিনি যে পরিমান নিজের এ্যাকাউন্টে নিয়েছিন সেই পরিমাণ বলে)। তার সাথে আমার দোকানের কর্মচারী ভুল করে বেশী টাকা পাঠিয়েছে। এরপর বলা হয় আপনি টাকা না ফেরত দিলে এ্যাকাউন্টটি আজকেই বন্ধ হয়ে যাবে। আমাদের কিছু তথ্য দিলে আমরা হালনাগাদ করে দিবো। এরপর তিনি নাম, সর্বশেষ বিকাশের পরিমান, পুরাতন পিন ও নতুন পিন দেয়ার কথা বলে। এরপরেই এ্যাকাউন্ট থেকে নিয়ে যায় ২৪ হাজার টাকা।

এ ব্যাপারে ওই গৃহিনী দিলরুবা সুলতানা কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে ফোন দিয়ে জানানো হলে সেখান থেকে জানায় সেটি তাদের নম্বর না। পরে তিনি কাউখালী থানায় একটি সাধারণ ডায়রি করেছেন।

এর আগে গত মাসে উপজেলার কাঠালিয়া গ্রামের বাসিন্দা রবিউলকে একইভাবে ফোন দেয়া হয়। তার সাথে কথা বলেন এক নারী প্রতারক। বেশ কিছুক্ষণ কথা বলার পর কৌশলে রবিউলের মোবাইল থেকে সাড়ে ২৪ হাজার টাকা তুলে নেয়া হয়। এছাড়া কুমিয়ান গ্রামের জাকির নামের এক চা দোকানীর কাছ থেকে একইভাবে ৩ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয় চক্রটি।

এছাড়া গত ২৬ সেপ্টেম্বর কাউখালীর একটি মাদ্রাসার সুপারকে মোবাইল করে ১১ হাজার টাকায় সরকারি ল্যাপটপ দেবার কথা বলে ৮৮ হাজার টাকা হাতিয়ে নেয়া হয়। তাদের ফাঁদে পড়ে মাদ্রাসার সুপার ৮৮ হাজার টাকা বিকাশে পাঠিয়ে প্রতারিত হয়েছেন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial