বাগেরহাটে বিআরটিএ’র দালালের কারাদন্ড
সেবা গ্রহিতাদের কাছ থেকে ঘুষ নেওয়া ও নানা অনিয়মের অভিযোগে বাগেরহাট বিআরটিএ কার্যালয়ে অভিযান চালিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
দুদকের হটলাইন ১০৬ নম্বরে ভুক্তভোগীর ফোন পেয়ে সোমবার বিকেলে দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের একটি টিম এ অভিযান চালায়। এসময় দুদক মিঠু মিয়া (৩৫) নামের এক দালালকে আটক করে। পরে তাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ মাসের কারাদন্ড প্রদান করা হয়। বাগেরহাট জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট মো. ইসতিয়াক আহমেদ এ কারাদন্ডের আদেশ দেন। এছাড়া সেবা গ্রহিতাদের কাছ থেকে ঘুষ গ্রহনের অপরাধে বিআরটিএ জেলা কার্যালয়ের সিল মেকানিক মো. মজিবর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করেন জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. তানভীর আহমেদ।
কারাদন্ডপ্রাপ্ত মিঠু মিয়া ফরিদপুর জেলার টেবাখোলা বিড়ি ফ্যাক্টরি এলাকার মো. তারা মিয়ার ছেলে।
দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসনের নেতৃত্বে বিআরটিএ অফিসে অভিযানকালে বিভিন্ন অনিয়মের প্রমান পাওয়া যায়। অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুদকের খুলনা কার্যালয়ের উপ-সহকারী পরিচালক নীলকমল পাল, খন্দকার কামরুজ্জামান, উপ-সহকারী পরিদর্শক মনিরুজ্জামান।
দুদকের খুলনা সমন্বিত জেলা কার্যালয়ের উপ-পরিচালক মো. নাজমুল হাসান বলেন, হটলাইনে এক ভুক্তভোগীর অভিযোগ পেয়ে বাগেরহাটের বিআরটিএ অফিসে অভিযান পরিচালনা করা হয়। আমরা বাগেরহাটে পৌছে সেবা গ্রহিতা সেজে মিঠু মিয়াকে ফোন করি। পরে মিঠু আমার কাছে টাকা দাবি করে। আমি টাকা দিতে রাজি হলে মিঠু অফিসের সামনে আসে টাকা নিতে। মিঠু শুধু আজ নয় দীর্ঘদিন ধরে এই অফিসের কর্মকর্তাদের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে বিভিন্ন সেবা গ্রহিতাদের কাছ থেকে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। আমরা মিঠুকে আটক করি। পরে ভ্রাম্যমান আদালত তাকে তিন মাসে কারাদন্ড দেয়।
