বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির উৎস সংকটাপন্ন
বাগেরহাটসহ উপকূলীয় এলাকায় সুপেয় পানির উৎসগুলো সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার অভাবে দিন দিন সংকটাপন্ন হয়ে পড়েছে। সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার ফলে সুপেয় পানির উৎস্যগুলো রক্ষা করা সম্ভব।
বৃহস্পতিবার দুপুরে জেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে লবনাক্ত অঞ্চলে মানসম্মত পুকুর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মশালায় বক্তারা এসব কথা বলেন।
বক্তারা আরও বলেন, দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের প্রায় ৪ কোটি মানুষ বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার করেন প্রাকৃতিক উৎস থেকে। উৎসগুলোতে বর্তমানে লবনাক্ততা বেড়ে গেছে। তাই এ অঞ্চলের মানুষের সুস্বাস্থ্যের জন্য পুকুরের পানির সঠিক ব্যবস্থাপনার বিকল্প নেই।
জাগ্রত যুব সংঘের আয়োজনে কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন, বাগেরহাট জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু।
বাগেরহাট জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী এস. এম. শামীম আহম্মেদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বক্তব্য দেন, বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ অধ্যাপক মোজাফ্ফর হোসেন, এডভোকেট মোজাফ্ফর হোসেন, প্রেসক্লাব সভাপতি আহাদ উদ্দিন হায়দার প্রমুখ।
পুকুর ব্যবস্থাপনা বিষয়ে গবেষনামূলক প্রবন্ধউপস্থাপন করেন খুলনা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক এস. এম. তারিকুল ইসলাম।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ কামরুজ্জামান টুকু বলেন, জেলা পরিষদের আওতায় ৩৬০টিরও অধিক পুকুর রয়েছে। যার মধ্যে অধিকাংশ পুকুরের খনন কাজ চলছে। এসব পুকুর সুপেয় পানির উৎস হিসেবে কাজ করবে।
