বিধবা বৌদিকে ধর্ষণের দায়ে দেবরের যাবজ্জীবন কারাদন্ড
পিরোজপুরের মঠববাড়িয়ায় বিধবা বৌদিকে ধর্ষণের দায়ে দেবর বাবুল হাওলাদার কালা (২৮)কে যাবজ্জীবন কারাদন্ড ও এক লক্ষ টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো এক বছর কারাদন্ড দিয়েছে আদালত।
মঙ্গলবার দুপুরে জেলা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. মিজানুর রহমান এ আদেশ দিয়েছেন।
দন্ডপ্রাপ্ত বাবুল হাওলাদার মঠবাড়িয়া উপজেলার কবুতরখালী গ্রামের মৃত প্রমাংশু হালদারের ছেলে। বর্তমানে সে পলাতক রয়েছেন।
আদালত সুত্রে জানা গেছে, উপজেলার কবুতরখালী গ্রামের মৃত লক্ষন হাওলাদারের স্ত্রী সাগরিকা রাণী ৬ বছরের শিশু সন্তান নিয়ে শ্বশুরের ঘরে বসবাস করতেন। এসময় তার আপন ছোট দেবর বাবুল হালদার প্রায়ই তাকে কুপ্রস্তাব দিতো। এতে সাগরিকা রাজী না হওয়ায় ২০১০ সালের ১৭ আগষ্ট মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে তার ঘরে ঢুকে মুখে গামছা দিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে পালিয়ে যায়।
পরে বিষয়টি তিনি মেঝ দেবর রামচন্দ্র ও শ্বাশুড়িকে জানালে তারা বাবুলকে ডেকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং ঘটনার সত্যতা পেয়ে বিধবা বৌদিকে বিয়ে করার জন্য বলেন। তখন বাবুল বিয়েতে রাজী হয়ে বৌদিকে কালী মন্দিরে নিয়ে মালা বদল করে ২০১১ সালের ৮ মার্চ পর্যন্ত স্বামী-স্ত্রী হিসেবে একই বাড়ীতে বসবাস করে। এতে সাগরিকা গর্ভবতী হয়ে পড়েন। এসময় বাবুল অন্যত্র আরেকটি বিয়ে করে সাগরিকাকে স্ত্রী হিসাবে অস্বীকার করেন। পরে সাগরিকা ২০১১ সালের ২৩ মার্চ বাবুল হালদারের বিরুদ্ধে মঠবাড়িয়া থানায় ধর্ষনের মামলা দায়ের করেন।
রাষ্ট্র পক্ষে মামলাটি পরিচালনা করেন নারী ও শিশু নির্যাতন দমনের বিশেষ পিপি আব্দুল রাজ্জাক খান বাদশা তবে আসামী পক্ষে কোন আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন না।
