পিরোজপুরে দুর্নীতি বিরোধী বক্তৃতা ও দেশাত্মবোধক গানের প্রতিযোগিতা
“আসুন, দুর্নীতি প্রতিরোধে সক্রিয় হই একসাথে-এখনই” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে স্বচ্ছতার জন্য নাগরিক (স্বজন)’র আয়োজনে পিরোজপুরের বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের অংশগ্রহণে দুর্নীতি বিরোধী বিষয় ভিত্তিক বক্তৃতা ও দেশাত্মবোধক গানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার সকাল ১১টায় জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাট রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজ মিলনায়তনে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
রাজলক্ষ্মী স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আশীষ চক্রবর্তী’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্বজন এর সমন্বয়ক এ.বি.এম খালিদ আবু।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, শেখ হাসিনা একাডেমী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মোসাম্মৎ মাকুল খানম, ও বাড়ৈখালী এস.জি.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আব্দুল হান্নান হাওলাদার।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বাড়ৈখালী এস.জি.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. রফিকুল আলম, স্বজন সদস্য তসলিমা রশীদ ও মো. মিজানুর রহমান, রাজলক্ষ্মী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও কলেজের শিক্ষক মন্ডলী, টিআইবি’র এরিয়া ম্যানেজার ধীমান গাইন প্রমূখ। প্রতিযোগিতায় বিষয় ভিত্তিক বক্তৃতা অংশে বিচারকের দায়িত্বে ছিলেন স্বজন’র সমন্বয়ক এ.বি.এম খালিদ আবু, স্বজন সহ-সমন্বয়ক খালেদা আক্তার হেনা ও সহ-সমন্বয়ক মোল্লা লিয়াকত আলী। দেশাত্মবোধক গান অংশে বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন সনাক সদস্য রমা রাণী সাহা, স্বজন সদস্য তাপস ভট্টাচার্য্য ও দিপ্তী রায়।
বিচারকদের বিচারে বিষয় ভিত্তিক বক্তৃতার ‘ক’ গ্রুপে শেখ হাসিনা একাডেমীর মাজনিন আক্তার ও মারুফা আক্তার যথাক্রমে ১ম ও ২য় এবং রাজলক্ষ্মী’র শওকত আবীর ৩য় স্থান অধিকার করে। ‘খ’ গ্রুপে তাজিম বিল্লাহ রাজ (রাজলক্ষ্মী) ১ম, আছিয়া আক্তার (বাড়ৈখালী এস.জি.এস) ২য় এবং সীমা আক্তার (শেখ হাসিনা একাডেমী) ৩য় হয়েছে।
দেশাত্মবোধক গান প্রতিযোগিতায় এস.জি.এস মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের জিনিয়া আক্তার ১ম ও লাবনী আক্তার যথাক্রমে ২য় এবং রাজলক্ষ্মী’র সাদিব ইসলাম চৌধুরী ৩য় স্থান অধিকার করেছে।
প্রতিযোগিতা শেষে সভাপতি, সনাক ও স্বজন সদস্যবৃন্দ বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায় ছিলেন টিআইবি’র এ্যাসিস্ট্যান্ট ম্যানেজার জি.এম. মাজহারুল আলম।
পরে শিক্ষার্থীদের দুর্নীতি বিরোধী শপথ পাঠ করানো হয়। কার্যক্রমটি পরিচালনা করেন সনাক সদস্য রমা রাণী সাহা। উক্ত শপথ পাঠ কার্যক্রমে প্রায় তিন শতাধিক ছাত্র-ছাত্রী অংশগ্রহণ করে।
