প্রধান সূচি

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাবে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয় প্লাবিত ॥ গাছের চাপায় নিহত-১

ঘূর্ণিঝড় ‘ফণী’র প্রভাবে বাগেরহাটের শরণখোলা উপজেলায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের বেড়িবাঁধ  ভেঙ্গে উপজেলার বগী ও সাতঘর গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ওই গ্রামের অনেকেই ঘরবাড়ি ছেড়ে গুরুত্বপূর্ণ মালামাল নিয়ে সাইক্লোন সেল্টারসহ নিরাপদস্থনে আশ্রয় নিতে শুরু করেছেন।

শুক্রবার সকাল থেকে বলেশ্বর নদীর পানি বাড়তে থাকলে শুক্রবার দুপুরে পানির ¯্রােতের চাপে উপজেলার পানি উন্নয়ন বোর্ডের (পাউবো) ৩৫/১ ফোল্ডারের বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে বগী, সাতঘর এলাকার লোকালয়ে পানি ঢুকে ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়।

ঘূর্ণিঝড় ফণী’র প্রভাবে সকাল থেকেই বাগেরহাটে থেমে থেমে গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি হচ্ছে। তবে কিছু কিছু জায়গায় ঝড়ো হাওয়া ও মেঘের গর্জন শোনা গেছে।

এদিকে, গাছ পড়ে বাগেরহাট সদর উপজেলার রনজিতপুর গ্রামে শাহনুর বেগম (৫০) নামের এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।

বগী গ্রামের বাসিন্দা রাজ্জাক তালুকদার বলেন, সিডরে মরেছে আত্মীয়-স্বজন। ফণীর কথা শুনেই আতঙ্কে আছি। আজ সকালে বেড়িবাঁধ ভেঙ্গে লোকলয়ে পানি ঢুকেছে। খুব বিপদে আছি।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য রিয়াদুল হোসেন পঞ্চায়েত বলেন, বেরিবাঁধটি আগে থেকেই ঝুঁকিপূর্ণ ছিল। জোয়ারের পানির চাপে বেরিবাঁধ ভেঙ্গে লোকালয়ে পানি ঢুকে পড়েছে। এতে ঘরবাড়ি প্লাবিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, আমরা এর আগেও দাবি জানিয়ে ছিলাম মজবুত করে বেড়িবাঁধ নির্মাণ করার জন্য। কিন্তু তা করা হয়নি। কর্তৃপক্ষের খামখেয়ালিতে আমরা এখন অসহায় হয়ে পড়েছি।

সাউথখালী ইউনিয়ন পরিষদের (ভারপ্রাপ্ত) চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান বলেন, বগী এলাকার বেড়িবাঁধের একটি অংশ ভেঙ্গে নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। তবে পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, আশ্রয় কেন্দ্র ও স্বেচ্ছাসেবকবৃন্দ প্রস্তুত রয়েছেন বলে জানান তিনি।

ফণী’র প্রভাবে মোংলা বন্দরে মালামাল লোড-আনলোড বন্ধ বন্ধ রয়েছে। বন্দরের অবস্থানরত ১৬টি জাহাজ নিরাপদ স্থানে রয়েছে। নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের উদ্ধারকারী জাহাজ বন্দরের অবস্থান করছে।

মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের হারবার মাস্টার দূরুল হুদা জানান, আমরা সবাই বন্দরে অবস্থান করছি। বন্দরের জাহাজগুলো নিরাপদে রয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial