রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় এডভোকেট এম এ মান্নানের দাফন সম্পন্ন
মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক পিরোজপুর জেলা উদীচীর সভাপতি এডভোকেট এম এ মান্নানের রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন সম্পন্ন হয়েছে। আজ বুধবার যোহর বাদ পিরোজপুর সরকারী সোহরাওয়াদী কলেজ মাঠে মরহুম এম এ মান্নানের জানাজা শেষে তাকে পৌর এলাকার ঝাটকাঠীস্থ পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
জানাজার আগে মরহুমের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে মুক্তিযোদ্ধা সংসদসহ পিরোজপুরের বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন পুস্পমাল্য অর্পন করেন। পরে তাকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা প্রদান করে করে পুলিশের একটি দল। এ সময় পিরোজপুরের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক নাহিদ ফারজানা সিদ্দিকী ও ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন উপস্থিত ছিলেন।
মরহুমের জানাজায় ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ হোসেন, পিরোজপুর পৌরসভার মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলহাজ্ব হাবিবুর রহমান মালেক, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট আব্দুল হাকিম হাওলাদার, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মজিবর রহমান খালেক, জেলা দুর্নীতি দমন প্রতিরোধ কমিটির সম্পাদক মো. মুনিরুজ্জামান নাসিম, জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন, জেলা ক্রীড়া সংস্থার সম্পাদক গোলাম মাওলা নকীব, গোপালকৃষ্ণ টাউন ক্লাবের সদস্য সচিব খান মো. আরাউদ্দিন, জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, পিরোজপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি জহিরুল হক টিটু, পিরোজপুর টেলিভিশন জার্নালিষ্ট এসোসিয়েশনের সভাপতি ফসিউল ইসলাম বাচ্চু, পিরোজপুর সদর থানার ওসি এস এম জিয়াউল হক, আওয়ামী লীগ, বিএনপি, কমিউনিষ্ট পার্টি, জাতীয়পার্টি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ, বিভিন্ন সামজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ পিরোজপুরে বিভিন্ন পেশাজীবী অংশগ্রহণ করেন।
উল্লেখ্য, পিরোজপুরের প্রগতিশীল রাজনৈতিক নেতা মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক, প্রবীণ আইনজীবি, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক সংগঠক এডভোকেট এম এ মান্নান মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ইন্তেকাল করেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৬ বছর।
মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পিরোজপুর শহরের গোপাল কৃষ্ণ টাউন ক্লাবে বসে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে জেলা হাসপাতালে নেয়ার পর কর্তব্যরত চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। মরহুম এডভোকেট এম এ মান্নান সচেতন নাগরিক কমিটি (টিআইবি), নাটাব, জেলা উদীচি’র সভাপতিসহ পিরোজপুর জেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সভাপতি ও সম্পাদক, পিরোজপুর ডায়াবেটিক সমিতির সাবেক সভাপতি, টাউন ক্লাব, জেলা ক্রীড়া সংস্থা ও জেলা শিল্পকলা একাডেমীর সাবেক সম্পাদক, রেড ক্রিসেন্ট ইউনিটের সাবেক সম্পাদক, শেরে বাংলা পাবলিক লাইব্রেরীর সহ সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের সাথে যুক্ত ছিলেন। তিনি এক সময় কমিউনিস্ট পার্টির রাজনীতির সাথে জড়িত ছিলেন।
