সুন্দরবনকে সুন্দর রাখতে সাবাইকে আন্তরিক হতে হবে…. হাবিবুন নাহার
পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপমন্ত্রী বেগম হাবিবুন নাহার বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাদেক বন রক্ষার দায়িত্ব দিয়েছেন। বন শেষ করার জন্য নয়। তাই সুন্দরবনকে সুন্দর রাখতে আমাদের সাবাইকে আরো আন্তরিক হতে হবে।
সোমবার দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলায় সুন্দরবন সহ-ব্যবস্থাপনা সংগঠনের (সিএমসি) সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
সুন্দরবনের ওপর চাপ কমাতে ২৫ কোটি টাকা ব্যয়ে পূর্ব সুন্দরবনের আলীবান্দা, আন্ধারমানিক ও পশ্চিম সুন্দরবনের কালাবগীতে ইকোট্যুরিজম স্পট গড়ে তোলা হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
সুন্দরবনের ওপর নির্ভরশীল পেশাজীবীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, সব সময় সরকারের অনুদানের দিকে তাকিয়ে না থেকে নিজেদেরকেও বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির চেষ্টা করতে হবে। একসময় অনেক ধনী পরিবারও ইলিশ মাছ খেতে পরতোনা। সরকার জাটকা নিধন বন্ধ করায় আজ সব শেণি পেশার মানুষ ইলিশের স্বাদ গ্রহন করতে পারছে। তাই বন রক্ষা করতে যা যা করা দরকার সরকার তা করবে।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত সুন্দরবন সুরক্ষায় নিয়োজিত স্বেচ্ছাসেবকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাদেরকে মাসিক সম্মানি ভাতা প্রদানের আশ্বাস দেন তিনি।
সুন্দরবন সংলগ্ন খুড়িয়াখালীর প্রদীপন সাইক্লোন শেল্টারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন বাগেরহাট-৪ আসনের সংসদ সদস্য ডা. মোজাম্মেল হোসেন ও সুন্দরবন পূর্ব বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসান।
বক্তব্য রাখেন, শরণখোলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা দিলীপ কুমার সরকার, শরণখোলা রেঞ্জের সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাউথখালী ইউপির চেয়ারম্যান মো. মোজাম্মেল হোসেন, রায়েন্দা ইউপির চেয়ারম্যান আসাদুজ্জামান মিলন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার এমএ খালেক খান, আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম কালাম, সহ-ব্যবস্থাপনা কমিটির সহসভাপতি এম ওয়াদুদ আকন, ইউপি সদস্য বাচ্চু মন্সী, মৎস্যজীবী নেতা সোলায়মান ফরাজী, পিপলস ফোরামের সভাপতি জাহাঙ্গীর জমাদ্দার, সিপিজি দলনেতা খলিলুর রহমান প্রমূখ।
পরে মন্ত্রী শরণখোলা রেঞ্জের আলীবান্দাসহ সম্ভাব্য কয়েকটি ইকোট্যুরিজম স্পট এবং উপজেলার বনসংলগ্ন সোনাতলা ও দাসেরভারানী আশ্রয়ন প্রকল্প পরিদর্শন করেন।
