মোংলায় মীর গ্রুপের উন্নয়নে মধ্যসত্বভোগীদের ঈর্শান্বিত হওয়ার অভিযোগ
বাগেরহাটের মোংলায় মীর গ্রুপের অবারিত উন্নয়নে মধ্যসত্বভোগী একটি গ্রুপের বিরুদ্ধে ঈর্শান্বিত হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আর তাই কুৎসা রটনায় নেমে পড়েছে ওই পক্ষটি। মোংলায় মীর এলপিজি লিমিটেড নামের গ্যাস কোম্পানীটির নির্মান কাজ সম্পন্ন হলে এই অঞ্চলের প্রায় ২ হাজার লোকের কর্মসংস্থান হবে। এখানে শুধু এলপিজি গ্যাস কোম্পানীর কাজ করা হবে না। পাশাপাশি থাকবে স্কুল, কলেজ, আধুনিক মানের হাসপাতাল ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান। যার পুরোপুরি কাজ সম্পন্ন হলে এই অঞ্চলের মানুষের ভাগ্যের আমূল পরিবর্তন আসবে। আর এই কাজগুলো সম্পন্ন করতে যাতে হিমশিম খায় সে জন্য স্থানীয় একটি দালাল চক্র সক্রিয় হয়ে পড়েছে এবং বিভিন্ন প্রকার প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। তারা এই প্রতিষ্ঠানে কাজের ঠিকাদারী, জমি ক্রয়সহ বিভিন্ন ধরনের কাজের ক্ষেত্রে কোম্পানীকে জিম্মি করে নিজেদের সম্পৃক্ত করতে আগ্রহী। এখানে দুটি পক্ষ তাদের নিজেদের মধ্যে টাকা ও ঠিকাদারীর কাজ ভাগাভাগী নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে সকল দোষ মীর এলপিজি লিমিটেডের উপর চাপিয়ে দিতে চাচ্ছে। মুলত তাদের স্বার্থে ব্যাঘাত ঘটার কারণেই মীর এলপিজি লিঃ এর কর্মকান্ডের উপর প্রভাব বিস্তার করতে চাচ্ছে ওই স্বার্থান্বেসী মহল বলে অভিযোগ করেছেন মীর এলপিজি লিঃ এ্যাসিটেন্ট জেনারেল ম্যানেজার মো. রবিউল আলম।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে মূল বিদ্যার বাহন খালের উপর মীর এলপিজি লিঃ তাদের নিজস্ব অর্থায়নে রেকর্ড়ীয় জমিতে ১০০ ফুটের উপরে একটি আধুনিক মানের বেইলী ব্রীজ ও ৭ ফুট ডায়ার ৪২টি পাইপ দিয়ে পাশের শাখা খালের উপর কালভাট নির্মান করেছে। যাহাতে শাখা খালের পানি প্রবাহে কোন রূপ প্রভাব পড়ে নাই। এছাড়া শেলাবুনিয়া, মনসাখালী, গাজীখালী ও বিদ্যার বাহন এলাকার জলবদ্ধতা সৃষ্টির কোন সম্ভাবনা নেই বা ফসলি জমির ফসল ক্ষতি গ্রস্থেরও কোন সম্ভবনা নেই। এছাড়া নিজস্ব অর্থায়নে খুলনা- মোংলা মহাসড়কের সাথে মহাসড়কের মতই চওড়া দুই লেনে প্রায় ২ কিলোমিটার রাস্তা করেছে। যাহার ফলে ঐ এলাকার মানুষের যাতায়াতের ক্ষেত্রে কষ্ট লাঘব হয়েছে। দ্বিতীয়ত যে কালভাট নির্মান করা হয়েছে তাতেও পানি প্রবাহের ক্ষেত্রে কোন রূপ বাঁধার সৃষ্টি হচ্ছে না। উপরোক্ত পানি প্রবাহের ক্ষেত্রে কোন প্রকার বাধা না হয় এই বিবেচনা করে নিজস্ব অর্থায়নে সঠিক উচ্চতায় কালভাট নির্মান করা হয়েছে। মীর এলপিজি লিমিটেডকে অনুসরণ করে যদি অন্য কোম্পানীগুলো প্ল্যান্ট স্থাপন ও উন্নয়ন করে তাহলে সেক্ষেত্রে পরিবেশের কোন ক্ষতির সম্ভবনা নেই।
