নিহতের ১০ মাস পর
ইন্দুরকানীতে আদালতের নির্দেশে যুবকের লাশ উত্তোলন
ইন্দুরকানীতে নিহতের ১০ মাস পর আদালতের নির্দেশে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য এক যুবকের লাশ উত্তোলন করেছে পুলিশ। সোমবার ম্যাজিষ্ট্রেটের উপস্থিতিতে কবর থেকে এ লাশ উত্তোলন করা হয়েছে।
মামলার বাদী ও নিহতের মা জানান, ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের নলবুনিয়া গ্রামের মফিজুর রহমানের ছেলে সাইফুল ইসলাম (১৯) তার বোনের সাথে আশুলিয়ার বাসা থেকে কর্মস্থলে যাওয়ার পথে ঢাকার শ্রীপুর এলাকায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে নলবুনিয়া গ্রামের উজ্জল, রনি তালুকদার, আসাদ আকন, আবু সায়ীদ পান্নাসহ ১০ জন লোক রড দিয়ে পিটিয়ে ও রাস্তার উপর আছড়িয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে গাড়ির নিচে ফেলে সড়ক দুর্ঘটনা বলে চালিয়ে দেয়। ময়না তদন্ত ছাড়াই ওইদিন রাতেই তার নিজ গ্রাম নলবুনিয়ায় তাকে দাফন করা হয়। এ ঘটনায় নিহতের মা ফিরোজা বেগম বাদী হয়ে ২০১৮ সালের ৮ মে ঢাকা সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ১০ জনকে আসামী করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। আদালত মামলাটি আমলে নিয়ে গত বছরের ২৫ নভেম্বর ডিএনএ পরীক্ষার জন্য লাশ উত্তোলন করার জন্য নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটকে নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশে পিরোজপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফকরুল ইসলামের উপস্থিতিতে ইন্দুরকানী থানা পুলিশর উপস্থিতিতে সোমবার বিকেল ৩ টায় লাশটি উত্তোলন করে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়।
এসময় ইন্দুরকানী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আরএমও ডা. এস এ খান, ইন্দুরকানী থানার এস আই মো. মাইনুল ইসলাম, ঢাকার আশুলিয়া থানার এস আই এমদাদ হোসেনসহ নিহতের আত্মীয়-স্বজন ও এলাকাবাসী উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. ফকরুল ইসলাম জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় গত ২০১৮ সালের ৭ এপ্রিল সাইফুল ইসলাম নিহত হয়। পরে তার পরিবার আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করলে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য আদালতের নির্দেশে লাশটি উত্তোলন করা হয়েছে।
