প্রধান সূচি

পিরোজপুরে নব নির্মিত কারাগারে বন্দীদের স্থানান্তর

পিরোজপুর শহরতলীর ঝাটকাঠিতে পিরোজপুর-নাজিরপুর বাইপাস সড়কের পাশে নব নির্মিত জেলা কারাগারে বন্দীদের স্থানান্তর কাযক্রম শুরু হয়েছে।

শনিবার ভোর থেকে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে নতুন কারাগারে বন্দীদের নিয়ে যাওয়া হয়।

গত বছরের ৩১ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে আধুনিক আবাসিকসহ নানা সুবিধা সমৃদ্ধ পিরোজপুর জেলা কারাগারের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনের পর থেকে নবনির্মিত কারাগারের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন কারা কর্তৃপক্ষ।

১৯১৮ সালে ঔপনিবেশিক আমলের প্রাচীন উপ-কারাগারের স্থলে একটি স্বাধীন দেশের উপযোগী বসবাসযোগ্য সংশোধনাগার নির্মাণ করা হয়। বর্তমান সরকারের সময়ে প্রায় ৪২ কোটি টাকা ব্যয়ের পিরোজপুরে এ জেলা কারাগারের নির্মাণ কাজ করা হয়।

১৬৭ জন পুরুষ ও ১০ জন নারী বন্দী উপযোগী পুরোনো কারাগারে ৫৫৭ জন বন্দী ছিলেন। নতুন কারাগারে ৪৫০ জন বন্দী ধারণ ক্ষমতা রয়েছে। এর মধ্যে পুরুষ কয়েদীর ধারণ ক্ষমতা ৪২০ জন এবং মহিলা কয়েদী ৩০ জন।

নতুন জেলা কারাগারে বন্দীদের জন্য থাকবে ওয়ার্কশেড, সাজাপ্রাপ্ত কয়েদি, বিচারাধীন কয়েদী ও মহিলা কয়েদীদের জন্য থাকবে আলাদা আলাদা ব্যারাক। অসুস্থ বন্দীদের জন্য মেডিক্যাল সেন্টার, প্রিজনারস সেল, ক্যান্টিন ইত্যাদি।

ইতোমধ্যে নতুন জেলা কারাগারের সমাপ্ত নির্মাণের কাজের মধ্যে রয়েছে জেলা অফিস কাম জেলারের বাসভবন, প্রিজনার্স ওয়ার্ক শেড, সাজাপ্রাপ্ত কয়েদী ব্যারাক, বিচারাধীন কয়েদী ব্যারাক (পুরুষ), কিশোর কয়েদী ব্যারাক, মহিলা কয়েদী ব্যারাক (সাজাপ্রাপ্ত ও বিচারাধীন), ওয়ার্ডার্স ব্যারাক, মেডিকেল সেন্টার (পুরুষ), প্রিজনার্স সেল, ষ্টাফ কোয়ার্টার এবং দুইটি কোয়ার্টার।

পিরোজপুর জেলা কারাগারের তত্ত্বাবধায়ক মো. শামীম ইকবাল জানান, কারারক্ষী, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশের চৌকস দলের নেতৃত্বে প্রিজন ভ্যানে করে কঠোর নিরাপত্তার মধ্যে দিয়ে শনিবার দিনভর পুরাতন কারাগার থেকে বন্দীদের নবনির্মিত কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়। ১০০ বছরেরও বেশি এই পুরাতন কারাগার থেকে বন্দীদের নতুর কারাগারে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial