ইন্দুরকানীতে সাগর পথকে ফিরে এসেছে দুই শতাধিক মাছ ধরা ট্রলার
ইন্দুরকানীতে দু’শতাধিক মাছ ধরা ট্রলার নিষেধাজ্ঞা মেনে মাছ ধরা বন্ধ করে গভীর সমুদ্র থেকে ঘাটে ফিরে এসেছে। শুধু সমুদ্রে মাছ ধরা ট্রলারই নয় স্থানীয় জেলেরাও শনিবার মধ্য রাত থেকে কচাঁ ও বলেশ^র নদীতে মাছ ধরা বন্ধ করে দিয়েছে। এর আগে এ উপজেলায় উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য অধিদপ্তর যৌথ উদ্যোগে ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ইলিশ ধরা বন্ধের ঘোষণা প্রচার করা হয়।
রবিবার উপজেলার পাড়েরহাট বন্দর, বালিপাড়া ও চন্ডিপুর গিয়ে দেখা যায় শুক্রবার রাতে সাগর থেকে জেলেরা মাছ ধরা ট্রলার নিয়ে ঘাটে ভিড়েছে। তারা জাল ও মাছ ধরা সকল সরঞ্জামাদি কিনারে তুলছে। এছাড়া স্থানীয় জেলেরাও মাছ ধরা নৌকা ও ট্রলার ঘাটে বেঁধে রেখে অন্য কাজ করছে। সমুদ্র থেকে ফিরে আসা বালিপাড়া এলাকার ট্রলার মালিক ফেরদাউস জানান, আমরা ইন্দুরকানী এলাকাসহ সমুদ্রে মাছ ধরার সকল এলাকার ট্রলার সরকারের নির্দেশ মেনেই মাছ ধরা বন্ধ করে বাড়ি ফিরে এসেছি। আমার ট্রলারে ১৪ জন জেলে মাছ ধরত।
সবাই এই নিষেধাজ্ঞার ২২ দিন আমাদের জাল সারবে অথবা অন্য কাজ করবে। বলেশ্বর নদীর তীরবর্তী চন্ডিপুর গ্রামের জেলে বারেক মাঝি, শুক্রবার রাতে মাছধরা বন্ধ করে ট্রলারসহ ঘাটে ফিরছে। তাদের মাছধরা ট্রলার এখন ঘাটে বাঁধা। এভাবে জেলে মালেক মাঝি, মনিরুজ্জামান গাজী, নুরুল ইসলাম মাঝিসহ অনেকের ট্রলারই ঘাটে বাধা দেখা যায়।
পাড়েরহাট মৎস্য বন্দরের মৎস্য ব্যবসায়ী দুলাল হোসেন জানান, সাগরের মাছ ধরা অধিকাংশ ট্রলার মাছ ধরা বন্দ করে নিষেধাজ্ঞার আগের দিন শনিবার সকালে মৎস্য বন্দরে ফিরে এসেছে।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল্লাহ শেখ জানান, ৭ অক্টোবর থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত যাতে জেলেরা মাছ শিকার না করে সে বিষয় আমাদের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। নিষেধাজ্ঞার একদিন আগেই জেলেরা সাগর থেকে ফিরেছে। নিষেধাজ্ঞার কয়দিন সকল প্রকার মাছ ধরা, বিক্রি ও মজুদ করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
