কর্মস্থলে ফেরা মানুষের দূর্ভোগ চরমে : লঞ্চ-স্টিমার-বাসে এখনও যাত্রীদের ভীড়
ঈদ উল আযহার দীর্ঘ ছুটির পর কর্মস্থলে ফেরা মানুষের দুর্ভোগ চরমে উঠেছে। লঞ্চ-স্টিমারে তিল ধারনের ঠাঁই নেই। প্রিয়জনদের সাথে বাড়িতে এসে ঈদ করতে আসা লোকজন এখন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কর্মস্থলে ফিরছে মানুষ। ঈদের দীর্ঘ ছুটি শেষে পিরোজপুরসহ দক্ষিণাঞ্চলের বিভিন্ন স্থান থেকে মানুষ এখনও কর্মস্থলে ফিরছে। লঞ্চঘাট, স্টিমার ঘাটে এখনও যাত্রীদের উপচেপড়া ভিড়।
পিরোজপুরের হুলারহাট ও কাউখালী লঞ্চ ও স্টিমার ঘাটে মঙ্গলবার ঢাকামুখী কত যাত্রী কর্মস্থলে ফিরে গেছেন তার সঠিক হিসাব রাখা কারও পক্ষে সম্ভব হয়নি। মঙ্গলবার পিরোজপুরের হুলারহাট ঘাট থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায় ৭টি লঞ্চ ও ১টি স্টিমার।
বিআইডব্লিউটিসি’র স্টিমার ‘এম ভি বাঙালী’তে তিল ধারণের ঠাঁই ছিল না। যা দেখে মনে হয়েছে ঈদের পর সর্বাধিক সংখ্যক মানুষ কর্মস্থলে ফিরে গেছেন। বিআইডব্লিউটিসি স্টিমার এম ভি বাঙালী মোড়লগঞ্জ, মাছুয়া, হুলারহাট থেকে অতিরিক্ত যাত্রী নিয়ে কাউখালীতে ঘাট দিলেও স্টিমারে ছিল যাত্রীদের প্রচন্ড ভীড়।
এদিকে, কাউখালী স্টিমার ও লঞ্চে শতাধিক যাত্রী উঠতে পারেনি বলে অভিযোগ প্রত্যক্ষদর্শী’র। মঙ্গলবার সরজমিনে গিয়ে দেখা গেছে টিপু-৬, রাজদূত-৭, মনিংসান, পূবালী-২, মহারাজ-৭, ফারহান-৯, এবং মানিক নামের লঞ্চে তিল ধারণের জায়গা নেই। অতিরিক্ত যাত্রী ও কয়েকগুণ বেশি ভাড়া নিয়ে ঢাকার উদ্দেশে হুলারহাট ও কাউখালী ঘাট ত্যাগ করে লঞ্চগুলো। এরপর রয়েছে পিরোজপুরের স্বরূপকাঠী, ইন্দেরহাটসহ বিভিন্ন এলাকার ছোট-বড় ১৫টি লঞ্চ ঘাট।
এদিকে, পিরোজপুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যাওয়া পরিবহনগুলোতে এখনও যাত্রীদের ভীড় রয়েছে প্রচুর। অভিযোগ রয়েছে পিরোজপুর, নাজিরপুর, কাউখালী, নৈকাঠী, বেকুটিয়া থেকে ছেড়ে যাওয়া দূরপাল্লার বাসগুলোতে ঠাসাঠাসি করে যাত্রী বোঝাই করার পরও তাদের কাছ থেকে কয়েকগুণ বেশি ভাড়া আদায় করছে বাস কাউন্টারের লোকজন।
