প্রধান সূচি

ইন্দুরকানীতে জরাজীর্ণ ঘরে পানি কাঁদার মধ্যে পাঠদান

শিক্ষার্থী আছে, শিক্ষক আছে শুধু নাই পাঠদান করার মত কোন উপযুক্ত ভবন। জরাজীর্ণ টিনের ছাপরা ঘরে কাঁদা পানির মধ্যে বৃষ্টির দিনে শিক্ষার্থীদের ভিজে ক্লাস করতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠার ৪০ বছর পার হলেও সরকারি ভাবে আজও নির্মাণ হয়নি কোন ভবন। পিরোজপুর জেলার ইন্দুরকানী উপজেলার পত্তাশী এস দাখিল মাদ্রাসার এ চিত্র। ১৯৭৮ সালে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয়ে ২০০২ সালে এটি এমপিওভুক্ত হয়। এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রথম থেকে ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত তিন শতাধিক শিক্ষার্থী রয়েছে। ২২ জন শিক্ষক কর্মচারীর মধ্যে ১২ জন এমপিওভুক্ত রয়েছেন। ২টি টিনের ছাপড়া দেয়া ঘর থাকলেও তা একেবারে জরাজীর্ণ। টিনের ছাউনী দিয়ে পানি পড়ে। তখন শিক্ষার্থীরা ভিজে আবার কেহ ছাতা মাথায় দিয়ে ক্লাস করে। তেমনি জোয়ারের পানিতে মাঠ তলিয়ে গিয়ে শ্রেণি কক্ষেও পানি ঢুকে কাদা পানিতে একাকার হয়ে যায়। ফলে শিক্ষার্থীদের পাঠদান ব্যাহত হচ্ছে।

সরকার এ উপজেলায় একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভবন নির্মাণের বরাদ্ধ দিলেও এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটির দিকে কর্তৃপক্ষের কোন দৃষ্টি নেই। প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে একাধিকবার স্থানীয় সংসদ সদস্য বিভিন্ন দপ্তরে ভবন নির্মাণের জন্য আবেদন করলেও তা কোন কাজে আসছে না। অভিভাবকদের দাবি শিক্ষার্থীদের মান সম্মত পাঠদান অব্যাহত রাখতে জরুরী ভাবে ভবন নির্মাণ প্রয়োজন।

ওই মাদ্রাসার ১০ম শ্রেণির ছাত্রী ফারজানা আক্তার জানান, বৃষ্টির মৌসুমে আমাদেরকে ভিজে কষ্ট করে ক্লাস করতে হয়।

পত্তাশী এস দাখিল মাদ্রাসার সুপার মাওলানা তাজাম্মুল হোসাইন জানান, জরাজীর্ণ ভবনে ৩ শতাধিক র্শিক্ষার্থীদের বৃষ্টি কাদার মধ্যে ঝুকি নিয়ে পাঠদান করাতে হচ্ছে। দ্রুত ভবন নির্মাণ প্রয়োজন।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মীর একেএম আবুল খায়ের জানান, পত্তাশী এস দাখিল মাদরাসার ভবন নির্মাণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তালিকা দেয়া আছে। পর্যায়ক্রমে বরাদ্ধ সাপেক্ষে নির্মাণ করা হবে।

উপজেলা চেয়ারম্যান মাসুদ সাঈদী জানান, ওই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটি আমি পরিদর্শন করেছি। টিনসেডের ঘরগুলো একেবারে জরাজীর্ণ। ক্লাস করার কোন পরিবেশ নেই। তাই অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভবন নির্মাণ প্রয়োজন।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial