প্রধান সূচি

সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি না হওয়ায় আদালতে মামলা

পিরোজপুরের নাজিরপুরে সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নাতি গ্রেডেশন তালিকায় অন্তভুক্ত না হওয়ায় সংক্ষুদ্ধ হয়ে আদালতে মামলা দায়ের করেছেন সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের এক সহকারী শিক্ষক।

আজ বৃহস্পতিবার পিরোজপুরের নাজিরপুর সহকারী জজ আদালতে এ মামলা দায়ের করেন নাজিরপুর উপজেলার শ্রীরামকাঠী ইউনিয়নের ৮৫নং দক্ষিন জয়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মিলি সিকদার।

মামলায় পিরোজপুর জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ডিপিইও) এবং নাজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার (টিইও)কে বিবাদী করা হয়েছে। আদালতের বিচারক মামলটি আমলে নিয়ে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বিবাদীদের প্রতি কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছেন।

মামলার বিবরনে বাদী মিলি সিকদার উল্লেখ করেন, তিনি ২০০৬ সালে ৮৫নং দক্ষিন জয়পুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক পদে যোগদান করেন।

সম্পতি সরকার সহকারী শিক্ষকদের জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে তাদের বেতন স্কেল ও অন্যান্য ভাতাদি বৃদ্ধি করে প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতি দেয়ার জন্য গ্রেডেশন তালিকা প্রস্তুত করে। উক্ত তালিকায় মিলি সিকদার ৬৭নং ক্রমিকে অন্তভুক্ত হয়। পরবর্তীতে প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদ পূরনের লক্ষে পদোন্নতি গ্রেডেশন তালিকা প্রণয়নের জন্য বিবাদীরা ঢাকায় প্রাথমিক শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে একটি তালিকা প্রেরণ করে। কিন্ত প্রেরিত উক্ত তালিকায় মিলি সিকদারের নাম অন্তভুক্ত করা হয়নি। ফলে মন্ত্রণালয় থেকে প্রকাশিত প্রধান শিক্ষকের পদে পদোন্নতি গ্রেডেশন তালিকায় তার (মিলি সিকদার) নাম অন্তভুক্ত নেই।

মিলি সিকদার অভিযোগ করেন, পদোন্নতি প্রাপ্ত হওয়ার সকল যোগ্যতা থাকা সত্বেও তৎকালীন পিরোজপুর জেলা শিক্ষা অফিসার এবং নাজিরপুর উপজেলা শিক্ষা অফিসার তার (মিলি সিকদার) নাম পদোন্নতি গ্রেডেশন তালিকায় অন্তভুক্ত না করে মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছে।

মিলি সিকদার আরও অভিযোগ করেন, তিনি পদোন্নতি নিয়ে অনিচ্ছুক এই মর্মে তার ভুয়া স্বাক্ষর দিয়ে কে বা কাহারা উপজেলা শিক্ষা অফিসে একটি আবেদন করে। মিলি দাবী করেন উক্ত আবেদনটি তার নয়। উপরন্ত তিনি পদোন্নতি পেতে আগ্রহী এই মর্মে পরে একটি আবেদন করেন।

মামলার বিষয়ে নাজিরপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সিকদার আতিকুর রহমান জুয়েল জানান, সৃষ্ট ঘটনার সময় আমি দায়িত্বরত ছিলাম না। তালিকা তৈরীর সময় দায়িত্বরত তৎকালীন উপজেলা শিক্ষা অফিসার তার (মিলি সিকদার) নাম তালিকায় অন্তভুক্ত করেন নি।

উল্লেখ্য, সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদ পূরনের লক্ষে মন্ত্রণালয় সিনিয়র সহকারী শিক্ষকদের পদোন্নতি দিয়ে বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের পদে তাদের পদায়ন করছে।

Please follow and like us:


« (পূর্ববর্তি সংবাদ)



উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial