ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী
পিরোজপুরে ঘুষ নিয়ে সেই ঘুষের টাকা আবার ফেরত দিলেন ঔষধ প্রশাসনের অফিসের সহকারী। গত রবিবার এ ঘুষের টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
সূত্র জানায়, ফার্মেসীর ড্রাগ লাইসেন্স নবায়নের জন্য ৮০৫ টাকা সরকারি ফি হিসেবে জমা নেওয়া হয়। কিন্তু পিরোজপুর ঔষধ প্রশাসনের অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম লাইসেন্স প্রতি তিন হাজার টাকা আদায় করেন।
জানা গেছে পিরোজপুর ঔষধ প্রশাসন অফিসে ২০২৩ সালে তৌহিদুল ইসলাম যোগদান করেন। তারপর থেকে তিনি বিভিন্নভাবে দুর্নীতিতে জড়িয়ে পরেন।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেক ড্রাগ লাইসেন্স প্রোপাইটাররা জানান, তৌহিদুল ইসলাম বিভিন্ন ভাবে লাইসেন্স নবায়নের জন্য তিন থেকে চার হাজার নিয়েছেন।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগী নুসরাত মেডিকেল হলের প্রোপাইটর শিহাব উদ্দিন বলেন, আমি বর্তমান এপ্রিল মাসের ১৬ তারিখে লাইসেন্স নবায়নের জন্য অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলামের কাছে যাই। সে আমার কাছে বিভিন্ন অজুহাতে তিন হাজার টাকা দাবি করেন। পরে আমার কাছ থেকে দুই হাজার নয়শত টাকা নেয়। গত রবিবার সকালে লাইসেন্স জন্য ঔষুধ প্রশাসন অফিসে যাই। তখন লাইসেন্স হাতে পেয়ে টাকার রিসিভ চাওয়া হয়। পরবর্তীতে অফিস সহকারী তৌহিদুল আটশত পাঁচ টাকার রিসিভ বের করে দেয়। পরে সাংবাদিকদের সামনে আমাকে একহাজার টাকা ফেরত দেয় এবং সে বলে আমার ভুল হয়েছে আর এ রকম ভুল হবে না। আমাকে মাফ করে দেন।
অভিযুক্ত অফিস সহকারী তৌহিদুল ইসলাম বলেন, আমার ভূল হয়েছে। সামনে এই ধরণের ভূল হবে না।
পিরোজপুরের সোনালি ফার্মেসী প্রোপাইটার ইউনুস আলী, হুমায়রা মেডিকেল এর প্রোপাইটার হেলাল উদ্দিন জানান, আমাদের কাজ থেকে লাইসেন্স নবায়ন বাবদ তিন হাজার টাকা নিছে তৌহিদুল।
পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের সুপার রাহুল কৃষ্ণ রায় জানান, অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার কোন মানে আসে না। এ বিষয় খোঁজ নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
