কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাড়ে ৪ কোটি টাকার প্রকল্প : ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ
পিরোজপুরের কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গন রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। ভিত্তি প্রস্তরের ৬ বছরেরও কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ করছে। পাইলিং এর জন্য নামে মাত্র কিছু বøক ও জিও ব্যাগ ৪ বছর আগে নির্মাণ করে খাদ্য গুদামের সামনে রেখে দেওয়া হয়। বøকগুলো এখন শ্যাওলা পড়ে আবর্জনার স্তুপে পরিনত হয়েছে। কবে নাগাদ পাইলিং এর কাজ শুরু হবে, তাও কেউ সঠিকভাবে বলতে পারে না। সন্ধ্যার তীব্র ভাঙ্গন বর্তমান থাকায় যেকোন সময় বিলীন হতে পারে কাউখালীর খাদ্য গুদামের ৫টি ভবন।
কাউখালীর খাদ্য গুদাম এক সময়ে বরিশাল বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চলের পিরোজপুর জেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় খাদ্য গুদামজাত করার লক্ষে সরকারিভাবে চাল, গম সরবরাহ করা হতো। সরকারের গ্রামীন জনগোষ্ঠীর জন্য গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন রাস্তা ঘাট, ভেরিবাধ, খাল খনন, মাটিকাটাসহ বিভিন্ন কাজের শ্রমিকদের কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হতো এখানে সংরক্ষণ করে রাখা খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করে। মূলত গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের এই সকল উদ্যোগেই আজ বাংলাদেশেকে উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আজ কোটি কোটি টাকার খাদ্য গুদাম সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা না করার জন্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। খাদ্য গুদামের ভাউন্ডারির ওয়াল, প্রবেশ পথ ও জেটিসহ রাস্তা বহু আগেই নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন সীমানা প্রাচীরও ভেঙ্গে নদীতে তলিয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে মূল খাদ্য গুদামের ভবন। সীমানা প্রাচীর না থাকায় সরকারি বহু মূল্যবান সম্পদ ঝুঁকিতে রয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, কাউখালী খাদ্য গুদাম অরক্ষিত এলাকা। দ্রæত কাজ না করলে যে কোনো সময় নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে খাদ্য গুদাম সংলগ্ন নদীর তীর ভাঙ্গন রক্ষা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও আজ ৬ বছর পর্যন্ত ওই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে খাদ্য গুদাম রক্ষার জন্য ৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার বরাদ্ধ দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে পিরোজপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুসাইর হোসেন জানান, কাজ চলমান রয়েছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করি পানি কমলে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।
কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনরোধে পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাড়ে ৪ কোটি টাকার প্রকল্প : ৬ বছরেও শেষ হয়নি কাজ
কন্ঠ রিপোর্ট :
পিরোজপুরের কাউখালীতে সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গন রক্ষায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের প্রায় ৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার প্রকল্প ভেস্তে যেতে বসেছে। ভিত্তি প্রস্তরের ৬ বছরেরও কাজ শুরু না হওয়ায় এলাকাবাসীর ক্ষোভ প্রকাশ করছে। পাইলিং এর জন্য নামে মাত্র কিছু বøক ও জিও ব্যাগ ৪ বছর আগে নির্মাণ করে খাদ্য গুদামের সামনে রেখে দেওয়া হয়। বøকগুলো এখন শ্যাওলা পড়ে আবর্জনার স্তুপে পরিনত হয়েছে। কবে নাগাদ পাইলিং এর কাজ শুরু হবে, তাও কেউ সঠিকভাবে বলতে পারে না। সন্ধ্যার তীব্র ভাঙ্গন বর্তমান থাকায় যেকোন সময় বিলীন হতে পারে কাউখালীর খাদ্য গুদামের ৫টি ভবন।
কাউখালীর খাদ্য গুদাম এক সময়ে বরিশাল বিভাগের দক্ষিণ অঞ্চলের পিরোজপুর জেলাসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলা ও উপজেলায় খাদ্য গুদামজাত করার লক্ষে সরকারিভাবে চাল, গম সরবরাহ করা হতো। সরকারের গ্রামীন জনগোষ্ঠীর জন্য গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়ন রাস্তা ঘাট, ভেরিবাধ, খাল খনন, মাটিকাটাসহ বিভিন্ন কাজের শ্রমিকদের কাজের বিনিময়ে খাদ্য কর্মসূচি বাস্তবায়ন করা হতো এখানে সংরক্ষণ করে রাখা খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ করে। মূলত গ্রামীন অবকাঠামো উন্নয়নে সরকারের এই সকল উদ্যোগেই আজ বাংলাদেশেকে উন্নত রাষ্ট্রের মর্যাদার দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। কিন্তু আজ কোটি কোটি টাকার খাদ্য গুদাম সঠিকভাবে সংরক্ষণ না করা এবং নদী ভাঙ্গনের হাত থেকে রক্ষা না করার জন্য মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে পড়েছে। খাদ্য গুদামের ভাউন্ডারির ওয়াল, প্রবেশ পথ ও জেটিসহ রাস্তা বহু আগেই নদী ভাঙ্গনে বিলীন হয়ে গেছে। এখন সীমানা প্রাচীরও ভেঙ্গে নদীতে তলিয়ে গেছে। নদী ভাঙ্গনের কবলে পড়েছে মূল খাদ্য গুদামের ভবন। সীমানা প্রাচীর না থাকায় সরকারি বহু মূল্যবান সম্পদ ঝুঁকিতে রয়েছে।
উপজেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য গুদাম কর্মকর্তা আবুল কালাম জানান, কাউখালী খাদ্য গুদাম অরক্ষিত এলাকা। দ্রæত কাজ না করলে যে কোনো সময় নদীর গর্ভে বিলীন হয়ে যাবে।
জানা গেছে, ২০১৮ সালের জুলাই মাসে খাদ্য গুদাম সংলগ্ন নদীর তীর ভাঙ্গন রক্ষা প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেও আজ ৬ বছর পর্যন্ত ওই প্রকল্পের কাজ শুরু হয়নি।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা যায়, সন্ধ্যা নদীর ভাঙ্গনের কবল থেকে খাদ্য গুদাম রক্ষার জন্য ৪ কোটি ৫১ লক্ষ টাকার বরাদ্ধ দেওয়া হয়।
এ ব্যাপারে পিরোজপুরের পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী নুসাইর হোসেন জানান, কাজ চলমান রয়েছে। দ্রæত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ করার জন্য ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানকে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আশা করি পানি কমলে আগামী নভেম্বর মাসের মধ্যে কাজ শেষ হয়ে যাবে।
