কাউখালীতে ইলিশ আহরণ নিষেধাজ্ঞার শেষ দিনে ৩ জেলের জরিমানা
মা ইলিশ রক্ষায় অভিযানের আজই শেষ দিন। রাত ১২টার পর নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে এবং জেলেরা আবার নদীতে মাছ শিকারে করবে। নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাউখালীর সন্ধ্যা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে আজ ৩ জেলেকে জরিমানা করা হয়েছে।
ইলিশের প্রজনন নির্বিঘœ করতে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞার পর আজ রাতে জেলেরা ছুটবেন ইলিশ শিকারে। ইলিশের প্রধান প্রজনন মৌসুম ১২ অক্টোবর থেকে ২ নভেম্বর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় সম্পুর্ণ নিষিদ্ধ করেছে সরকার।
ইলিশ মাছ আহরণ নিষেধাজ্ঞার সময় তৎপর ছিলো প্রশাসন। তারই ধারাবাহিকতায় নিষেধাজ্ঞার শেষ সময়ে উপজেলার সন্ধ্যা নদীতে মা ইলিশ শিকারের দায়ে বৃহস্পতিবার রাতে ৩ জেলেকে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তর এবং নৌ-পুলিশ যৌথ অভিযান চালিয়ে জেলেদের আটক করে। এরা হলেন- আমরাজুড়ি গন্বর্ব আবাসন এলাকার স্বপন সরদার (৪০)ও সজল মাঝী (২১) এবং স্বরূপকাঠীর ব্যাসকাঠী গ্রামের হিরোন শেখ (৩০)।
অভিযানে ২ লাখ মিটার কারেন্ট জাল ও ৫ কেজি ইলিশ মাছ জব্দ করা হয়। ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ৩ জেলের ৫ হাজার টাকা করে ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। পরে জালগুলো পুড়িয়ে বিনষ্ট করা হয় এবং মাছগুলো এতিমখানায় বিতরণ করা হয়।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করেন কাউখালী উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. বায়েজিদুর রহমান।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. হাফিজুর রহমান জানান, মা ইলিশ রক্ষায় গত ১২ অক্টোবর থেকে নদীতে মাছ ধরায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। ২ নভেম্বর রাত ১২টার পর থেকে নিষেধাজ্ঞা উঠে যাবে।
