জাতীয় পার্টি-জেপি থেকে কাউখালী উপজেলা সভাপতি আবু সাঈদ মনুসহ ৩ সহস্রাধিক নেতাকর্মীর পদত্যাগ
সাংগঠনিক রীতিনীতি বর্হিভূতভাবে দল পরিচালনা করা, উন্নয়নের ব্যাপক বৈষম্য ও কাউখালী হাটের খাজনা মওকুফ ঘোষণা করা সত্বেও সরকারি টাকা পরিশোধ না করায় জাতীয় পার্টি-জেপি (মঞ্জু) থেকে উপজেলা সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রম ও শিল্প বিষয়ক সম্পাদক এবং কাউখালী উপজেলা চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ মিয়া মনু, সহ-সভাপতি সিকদার মো. দেলোয়ার হোসেন, শাহ আলম নসু, যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক শেখ লিটন, নেপাল চন্দ্র দে, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক খসরু মিয়াসহ ৩ সহস্রাধিক নেতা-কর্মী জাতীয় পার্টি (জেপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন।
আজ শনিবার বিকেলে কাউখালী উপজেলা পরিষদ চত্বরে এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে পদত্যাগের এই ঘোষণা দেওয়া হয়।
সাংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে আবু সাঈদ মিয়া মনু বলেন, ভান্ডারিয়া-কাউখালী-ইন্দুরকানী এই তিন উপজেলা নিয়ে পিরোজপুর-২ আসন গঠিত (চলমান) হলেও উন্নয়নের ক্ষেত্রে কাউখালী উপজেলা চরমভাবে অবহেলিত। বার বার পিরোজপুর-২ আসনের ১৪ দলীয় এমপি জাতীয় পার্টি-জেপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জু মহোদয়কে বিষয়টির প্রতি দৃষ্টি দেওয়ার জন্য আহবান জানালেও তিনি তা ভ্রুক্ষেপ করেননি।এমপি মহোদয় গত বৈশাখ মাস থেকে কাউখালী উপজেলার হাট বাজার খাজনামুক্ত ঘোষণা করেন এবং সরকারি টাকা নিজ তহবিল থেকে পরিশোধের ঘোষণা দেন। কিন্তু ৬ মাস পর্যন্ত তিনি কোন টাকা পয়সা পরিশোধ করেন নি। গত ৬ মাসের টাকা আমাকেই পরিশোধের ব্যবস্থা করতে হয়েছে। এমপি মহোদয় সম্প্রতি সরাসরি বলে দেন- তিনি হাট বাজারের খাজনার কোন টাকা পয়সা দিবেন না এবং আরও বলেন, হাটবাজার সরকারিভাবে ইজারার দেওয়া হোক।

আবু সাঈদ মনু বলেন, গোটা দেশে ব্যাপক উন্নয়ন হলেও কাউখালীবাসী উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত। সংগত কারনেই এর আংশিক দায়ভার আমার উপরে বর্তায়। সে কারনে আর কোন পথ খোলা না থাকায় আমি এবং আমার সাথে থাকা নেতৃবৃন্দসহ তিন সহ¯্রাধিক নেতা-কর্মী জাতীয় পার্টি-জেপি থেকে পদত্যাগ করলাম।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, আপাতত: স্বতন্ত্র হিসেবে আছি, এখনই কোন দলে যোগ দিবো না, আমার নেতা-কর্মী, সমর্থক ও কাউখালীবাসীর সাথে আলোচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। কেননা উন্নয়নের রাজনীতি করি, তাই এ পথ থেকে পথভ্রষ্ট হবো না।
ন্য ফোর্স পঠানো হয়েছে।
