নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের উপনির্বাচন
স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীদের প্রচারণার কাজে বাধা প্রদানের অভিযোগ
পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলায় ৬নং নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদের উপ-নির্বাচনে স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. রাসেল সিকদারের কর্মীদের মারধর, প্রচারণার কাজে বাধা প্রদান, ভোটার স্লিপ দিতে বাধা প্রদান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
সোমবার পিরোজপুর প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন উপ-নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. রাসেল সিকদার (ঘোড়া প্রতিক)। তিনি লিখিত বক্তব্যে আরও জানান, আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতিকের প্রার্থী মো. তানভীর হাসান ডালিম ও তার দলীয় নেতা-কর্মীরা সংখ্যালঘুদের নৌকা প্রতীকে ভোট দেওয়ার জন্য ভয়ভীতি দেখানোসহ বহিরাগত সন্ত্রাসীদের নিয়ে দেশীয় অস্ত্রসহ মোটর সাইকেল শোডাউন করে সাধারণ ভোটারদের মধ্যে আতংক সৃষ্টি করে চলছে। এমনকি নৌকা প্রতিকের সমন্বয়ক সাতকাছিমিয়া ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের নেতা জামিল খান প্রকাশ্য বক্তব্যে বলেন যে, ‘নৌকা মার্কায় ভোট না দিলেও নৌকা মার্কার জয় হবে।’
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আশংকা প্রকাশ করে বলেন, নির্বাচনে পূর্বে হামলা ও অগ্নি সংযোগেরমত মিথ্যা ঘটনা সাজিয়ে মামলা দিয়ে আমাকে (রাসেল সিকদার) সহ আমার কর্মীদের হয়রানি করা হতে পারে এবং নির্বাচনে দিন বহিরাগত সন্ত্রাসী ক্যাডার বাহিনী দিয়ে ভোট কেন্দ্র দখল, ভোটারদের ভোট কেন্দ্র আসতে বাধা প্রদান এবং আমার এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া হতে পারে।
তিনি নির্বাচনে ভোট ডাকাতি, ভোট কেন্দ্র দখল ও ফলাফল পরিবর্তন পরিকল্পনা প্রতিরোধে নির্বাচনী এলাকায় অতিরিক্ত র্যাব, পুলিশ ও অধিক সংখ্যক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার জন্য দাবী করেন।
এদিকে, স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থীর অভিযোগের বিষয়ে আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী মো. তানভীর হাসান ডালিম জানান, স্বতন্ত্র প্রার্থী রাসেল সিকদারের অভিযোগ মিত্যা ও ভিত্তিহীন। উপরন্ত তারা বিভিন্ন স্থানের হিন্দু ভোটারদের ভোট কেন্দ্রে না যেতে ভয়ভীতি দিচ্ছে। এমননি তারা বিভিন্ন স্থানের আমার (ডালিম) নির্বাচনী পোষ্টার ছিড়ে ফেলেছে।
উল্লেখ্য, আগামী ২৫ মে নাজিরপুর উপজেলা সদরের ৬নং নাজিরপুর ইউনিয়ন পরিষদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থীসহ ৫ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে।
এ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোশারেফ হোসেন খান উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ইউনিয়ন চেয়ারম্যানের পদটি শূন্য হয়ে যায়।
