মঠবাড়িয়া, নাজিরপুর ও কাউখালীর ৮ গ্রামের ৬ শতাধিক পরিবারের আজ ঈদ
পিরোজপুরের মঠবাড়িয়া উপজেলার সাপলেজা ইউনিয়নের ছয় গ্রামের সাড়ে চারশত, নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের প্রায় একশত ও কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের প্রায় ৫০টি পরিবার আজ ঈদ-উল-ফিতর উদ্যাপন করছে।
সোমবার সকাল ১০টায় মঠবাড়িয়া উপজেলার শাপলেজা ইউনিয়নের ভাইজোড়া গ্রামের খোন্দকার বাড়িতে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। কচুবাড়ীয়া গ্রামের ফরহাদ মেম্বরের বাড়িতে সকাল সাড়ে ৯টায় ঈদের জামায়াত অনুষ্ঠিত হয়েছে। সাপলেজা ইউনিয়নের ইউপি চেয়ারম্যান মো. মিরাজ হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
অন্যদিকে নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রাম ও আশেপাশের প্রায় একশত পরিবারের শতাধিক নারী পুরুষ রঘুনাথপুর আল আমীন জামে মসজিদে সকাল ৯টায় ঈদের নামাজ আদায় করেছেন বলে জানিয়েছেন উদ্যোক্তা ও স্থানীয় ডা. মো. হুমায়ুন কবির।
কাউখালী উপজেলার শিয়ালকাঠি ইউনিয়নের বেলতলা গ্রামের ৫০টি পরিবার সৌদী আরবের সাথে মিল রেখে এবার প্রথম ঈদ উদযাপন করছেন।
জানাগেছে, স্থানীয় ভাবে সুরেশ্বর (মাওলানা জান শরীফ শাহ ওরফে হযরত মাওলানা শাহে আহম্মদ আলী) সম্প্রদায় হিসেবে পরিচিত মঠবাড়িয়া উপজেলার পূর্ব সাপলেজা, ভাইজোড়া, কচুবাড়িয়া, খেতাছিড়া, চরকগাছিয়া ও বাদুরতলী গ্রামের প্রায় ৩ হাজার মানুষ আজকের এ ঈদ উদযাপন করছে। তারা গত দেড়শ বছর ধরে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে ঈদুল ফিতর উদ্যাপন করে আসছে। স্থানীয় আলেমরা একদিন আগে ঈদ পালনে পক্ষে বিপক্ষে মত দিয়েছেন।
অন্যদিকে, ২০০৯ সাল থেকে ডা. হুমায়ন কবির নামের এক ব্যক্তি নাজিরপুর উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামে সৌদি আরবের সাথে মিল রেখে রোজা রাখা ও ঈদ পালনের প্রচলন শুরু করেন। এরপর থেকে পিরোজপর ও বাগেরহাটের বিভিন্ন উপজেলার কিছু মানুষ এখানে ঈদের জামায়াতে অংশ নিতে আসেন।
