পাইকগাছায় স্কুল ছাত্রীর আত্মহত্যা
পাইকগাছার কড়ুলিয়ায় ছোট ভাই মোবাইল সেরে রাখার দ্বন্দ্বে অভিমান করে নিপা মন্ডল (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্রী গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
মঙ্গলবার বেলা সাড়ে ১০টার দিকে বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে নিপা ঘরের আড়ায় ওড়না দিয়ে আত্মহত্যা হত্যা করে বলে পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে।
ঘটনার খবর পেয়ে পাইকগাছা থানার ওসি মো. এজাজ শফী ও লস্কর ইউপি চেয়াম্যান কেএম আরিফুজ্জামান তুহিন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে যান।
জানা গেছে, ঘটনার সময় নিহত স্কুল ছাত্রীর মা অন্যের চিংড়ি ঘেরে কাজ করতে গিয়েছিল। আর বাবা কিরন মন্ডল দিনমজুর হিসেবে ধান কাঁটতে বর্তমানে গোপালগঞ্জ অবস্থান করছেন। পুলিশ লাশের ময়না তদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালে প্রেরণ করেছে।
স্কুল ছাত্রীর পারিবার ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মঙ্গলবার সকালে কিরন মন্ডলের স্ত্রী চিংড়ি ঘেরে দিনমজুর হিসেবে কাজ করতে গেলে এ দম্পতির একমাত্র শিশু পুত্র শিব ছোট বোন নিপার মোবাইল সেরে রাখে। এর জের ধরে নিপা তার ভাই শিবের সাইকেলের চাকার হাওয়া সরিয়ে দেয়। এ নিয়ে দুই ভাই-বোনের মধ্যে ঝগড়া হয়। এতে ক্ষোভের একপর্যায়ে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে নিপা বসতঘরের আড়ায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে। নিপা পৌরসভার টাউন স্কুলের ৭ম শ্রেনীর ছাত্রী।
ওসি মো. এজাজ শফী বলেন, নিহত স্কুল ছাত্রীর লাশের সুরোতহাল রিপোর্ট শেষে ময়না তদন্তের জন্য খুমেক হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে।
