দুই দিনেও নিয়ন্ত্রণে আসেনি সুন্দরবনের আগুন
সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জের ২৪নং কমর্পামেন্টের আওতাধীন দাসের ভাড়ানী টহল ফাঁড়ির মাঝেরচর এলাকায় সংঘঠিত আগুন গত দুই দিনেও পুরোপুরি নিয়ন্ত্রনে আনা সম্ভব হয়নি। তবে বন বিভাগের দাবী হঠাৎ বৃষ্টি ও ফায়ার সার্ভিসের তিনটি ইউনিটের প্রাণপন চেষ্টায় আগুন ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রনে এসেছে।
অপরদিকে, নির্ভরযোগ্য সুত্র জানায়, ঘটনার দুই দিন পর অগ্নিকান্ড সংঘঠিত এলাকায় আসেন পুর্ব সুন্দরবনের শরণখোলা রেঞ্জে দীর্ঘদিন ধরে কর্মরত এসিএফ মো. জয়নাল আবেদীন।
আগুনের রহস্য জানতে শরণখোলা রেঞ্জের (এসিএফ) মো. জয়নাল আবেদীনকে প্রধান এবং চাঁদপাই রেঞ্জের (এসিএফ) মো. এনামুল হক ও ধান সাগর ষ্টেশন কর্মকর্তা (এসও) মো. ফরিদুল ইসলামসহ তিন সদস্য বিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বন বিভাগ। ওই কমিটিকে আগামী ৭ কার্যদিবসের মধ্যে আগুন লাগার কারণ জানাতে বলা হয়েছে ।
মঙ্গলবার বিকেলে মুঠোফোনে আগুন নিয়ন্ত্রণের বিষয়ে জানতে চাইলে বিভাগীয় বন কর্মকর্তা (ডিএফও) মোহম্মদ বেলায়েত হোসেন জানান, বনের ওই এলাকার আগুন ইতিমধ্যে নিয়ন্ত্রনে এসেছে। তবে কিছু কিছু স্থান থেকে এখনো ধোয়া উড়তে দেখা যাওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের ৩টি ইউনিটের সদস্যরা পানি সরবারহের কাজ অব্যাহত রেখেছেন।
ফায়ার সার্ভিসের শরনখোলা ইউনিটের (ইনচার্জ) মো. আ. ছাত্তার হোসেন অগ্নিকান্ড এলাকা থেকে মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে মুঠোফোনে জানান, এখনো আগুন নিয়ন্ত্রনে আসেনি। আমরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। তবে কখন নাগাদ পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ হবে তা নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত সোমবার সকাল অনুমান পৌনে ১০টার দিকে শরণখোলা ও চাঁদপাই রেঞ্জের মধ্যবর্তী দাসের ভাড়ানী এলাকায় ধোয়ার কুন্ডালী উড়তে দেখে বনরক্ষীদের খবর দেন স্থানীয়রা। খবর পেয়ে শরণখোলা রেঞ্জের ষ্টেশন কর্মকর্তা আ. মান্নানের নেতৃত্বে দাসের ভাড়ানী, ভোলা ও নাংলী টহল ফাড়ির একদল বনরক্ষীসহ স্থানীয় (সিপিজির) সদস্যরা বনের ওই এলাকায় যান।
