প্রধান সূচি

পাইকগাছা উপজেলা চত্বরের গাছে পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন

পাইকগাছায় বন্য পাখি সুরক্ষা ও পাখির অভায়াশ্রয় গড়ে তোলার লক্ষে পাখির বাসার জন্য উপজেলা চত্বরে বিভিন্ন গাছে মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে।
জলবায়ুর পরিবর্তনের ফলে পাখির আবাসস্থল ধ্বংস হয়ে যাচ্ছে। পাখি রক্ষায় সচেতনতা বৃদ্ধি ও এদের আবাসস্থল সুরক্ষায় পরিবেশবাদী সংগঠন বনবিবি বিভিন্ন কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশের জীববৈচিত্র্যে কে সমৃদ্ধ করেছে পাখি। পরিবেশবান্ধব এই প্রাণিটি জীববৈচিত্র্যের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ একটি সম্পদ। জলবায়ু পরিবর্তন ও মানুষের দ্বারা সৃষ্ট নানা কারণে পাখিরা বিপন্ন হয়ে পড়েছে। পরিবেশের ভারসাম্য ও জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং আমাদের সুস্থ্য জীবন ধারার জন্যও পাখিদের রক্ষা করা জরুরী। পাখিদের স্বাভাবিক প্রজনণ ও তাদের সুস্থ্য জীবনধারাকে টিকিয়ে রাখতে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি প্রয়োজন। পরিবেশ বান্ধব এই প্রাণিটিকে রক্ষা, বিরল প্রজাতির পাখির বিলুপ্তি রোধ, নির্বিচারে পাখি শিকার বন্ধ, প্রজনণ ও পাখিদের অবাদ বিচরণ ক্ষেত্রগুলো নষ্ট না করা প্রভৃতি ক্ষেত্রে সবার মধ্যে সচেতনতা সৃষ্টি করতে পরিবেশবাদী সংগঠন বিভিন্ন কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে।
পরিবেশবাদি সংগঠন বনবিবির উদ্যোগে সোমবার সকালে উপজেলা চত্বরের বিভিন্ন গাছে পাখির বাসার জন্য ২৫টি মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। পাখির বাসার জন্য গাছে মাটির পাত্র স্থাপন অনুষ্ঠান প্রধান অতিথি হিসাবে উপজেলা নির্বাহী অফিসার এবিএম খালিদ হাসান উদ্বোধন করেন।
বনবিবির সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধান এর সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকতা পবিত্র কুমার দাস, উপজেলা খাদ্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম সিদ্দিকী ফিরোজ, উপজেলা বন কর্মকর্তা প্রেমানন্দ রায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পরিবেশ কর্মী ও কবি মাধুরী রাণী সাধু, পরিবেশ কর্মী ও কবি সুশান্ত বিশ্বাস, কৃষ্ণপদ রায়, সাংবাদিক আশিষ রায়চৌধুরী মিন্টু, কৃষ্ণপদ বিশ্বাস প্রমুখ।
উল্লেখ্য, পরিবেশবাদি সংগঠন বনবিবির উদ্যোগে ২০১৬ সাল থেকে উপজেলার পৌরসভা, গদাইপুর, রাড়ুলী, হরিঢালী, কপিলমুনি ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রাম ও সরকারি প্রতিষ্ঠানে অবস্থিত বিভিন্ন গাছে পাখি বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। এ পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন গাছে প্রায় ৯শ’ মাটির পাত্র স্থাপন করা হয়েছে। তবে বিভিন্ন ঝড়সহ ঘূর্ণিঝড় আম্ফানে গাছের ডালপালা ভেঙ্গে প্রায় তিন শতাধিক মাটির পাত্র ভেঙ্গে গেছে। সে সকল গাছের মাটির পাত্র ভেঙ্গে গেছে সে সব গাছে পুনরায় পাখির বাসার জন্য মাটির পাত্র স্থাপন করা হচ্ছে। সংগঠনটি পাখির আবাসস্থল নিরাপদ রাখা ও পাখিদের বিচরণস্থল সংরক্ষন সকলের উদ্যোগী হওয়ার আহবান করেছে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial