স্বরূপকাঠীতে চিংড়ি মাছে কৃত্রিম ওজন বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতারণা
পিরোজপুরের নেছারাবাদ (স্বরূপকাঠী) উপজেলায় চিংড়ি মাছের মধ্যে ম্যাজিক বল ঢুকিয়ে মাছের ওজন বৃদ্ধি করে ক্রেতাদের সাথে প্রতরণা করছে বাজারের মনিষা ফিসিং হাউজের লোকজন। ওই আড়তের অধিকাংশ মাছই ফরমালিন দেওয়া পচা বার্মিজ রুই, চিংড়ি, কাতল সরবারহ হয়ে থাকে। তাও অনেক সময় বিক্রি হয় বাজার দামের তুলনায় অধিক দামে। ওই আড়ত থেকে মাছ কিনে ধোকায় পরেছে অধিকাংশ ক্রেতা। আর এ কারণে বছরে দুই একবার জরিমানাও দিয়েছে আড়তের সংশ্লিষ্টরা। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও মনীষা মাছের আড়তের স্বপন নামে এক মাছ ব্যবসায়ী এবারও গুনেছেন ১০ হাজার টাকা জরিমানা।
গতকাল মঙ্গলবার ভ্রাম্যমান আদালতের নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ও ইউএনও মো. মোশারেফ হোসেন ওই জরিমানা করেন। এসময় সুযোগ বুঝে আড়ত মালিক উত্তম কুমার মন্ডল পালিয়ে যায়।
জানা গেছে, মঙ্গলবার স্বপনের কাছ থেকে স্থানীয় এক ক্রেতা ৩ কেজি চিংড়ি মাছ কিনে বাড়ী নিয়ে যান। মাছ কাটার সময় প্রতিটি মাছের মাথার মধ্যে ফুলকার সাথে পানি ভর্তি ওইসব ম্যাজিক বল দেখতে পায়। তিনি ওই মাছ নিয়ে বন্দরের ওই আড়তে ফিরে এসে ওখানে থাকা মাছের মধ্যেও ওই বল দেখতে পান। এসময় উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা এম এম পারভেজকে খবর দিলে তিনি ঘটনাস্থলে গিয়ে মাছগুলো পরীক্ষা করে প্রতারণার প্রমান পান। ওই অবস্থায় বিষয়টি ইউএনও’কে জানানো হলে তিনি ভ্রাম্যমান আদালত বসিয়ে আড়তের কর্মচারী স্বপনকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেন। একইসাথে আড়তের মাছ ধংস করে মাটিতে পুঁতে ফেলেন।
