প্রস্তুত প্রশাসন ॥ চলছে মাইকিং
কাউখালীতে ‘বুলবুল’ আতঙ্ক
শক্তি সঞ্চয় করে উপকূলের দিকে ধেয়ে আসছে অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’। যার প্রভাবে পিরোজপুরের কাউখালীতে বৈরী আবহাওয়া বিরাজ করেছে। সকাল থেকে মাঝারি ধরণের বৃষ্টিপাত হচ্ছে।
শনিবার সকালে মোংলা ও পায়রা বন্দরে ১০ নম্বর বিপদ সংকেত দেখানোর পরে পিরোজপুরের কাউখালীর উপকূলীয় এলাকার মানুষের মধ্যে কিছুটা আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদিও এসব এলাকায় উপজেলা প্রশাসন এবং স্বেচ্ছাসেবকদের মাধ্যমে দিনভর ঘূর্ণিঝড় নিয়ে সতকর্তামূলক প্রচারণা চালানো হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে সাইক্লোন শেল্টারসহ বিভিন্ন বিদ্যালয় ভবন, পাকা ও নিরাপদ স্থাপনা।
সকাল থেকে দফায় দফায় উপজেলা প্রশাসন সভা করেছেন। ঘূর্ণিঝড় মোকাবেলায় বিভিন্ন ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে।
রাতে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে আসা মানুষের মাঝে শুকনো খাবার, মোমবাতি, দিয়াশলাই বিতরণ করেন উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সাঈদ মিঞা মনু, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা খালেদা খাতুন রেখাসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সরকারি কর্মকর্তারা।
এদিকে, শুক্রবার বিকেল থেকে কাউখালী সন্ধ্যা নদীতে মোংলা, খুলনা এবং ঢাকাগামী অর্ধশত তেল ও মালবাহী কোস্টার, কার্গো ও ট্র্যাংকার, শনিবার স্টিমার বাঙালী ও একটি পর্যটকবাহী দোতলা লঞ্চ নিরাপদে আশ্রয় নিয়েছে। কাউখালী থেকে ঢাকাগামী স্টিমার ও কোন লঞ্চ ছেড়ে যায় নি।
নভেম্বর মাসে দূর্যোগের কথা শুনলেই কাউখালীর মানুষের আতঙ্ক দেখা দেয়। ১৯৭০ সালের ১২ নভেম্বরের ঘূর্ণিঝড় এবং ২০০৭ সালে ১৫ নভেম্বর ‘সিডর’ নামের ঘূর্ণিঝড় কাউখালী দুমড়ে-মুচড়ে দেয়। এতে প্রাণ হারায় প্রায় ১০জন।
