সুসাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত
পাইকগাছায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে গতকাল সোমবার সুসাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের ১৩৮তম জন্মবার্ষিকী পালিত হয়েছে। কর্মসুচির মধ্যে ছিল সাহিত্যিকের প্রতিকৃতিত্বে পুষ্পমাল্য অর্পন, আলোচনা সভা, সম্মাননা, পুরস্কার ও বই বিতরণ, কবিতা আবৃতি ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।
সোমবার সকাল ১১টায় নতুন বাজার চত্বরে কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের উদ্যোগে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা দৌলতপুর সরকারি ব্রজলাল কলেজের সহযোগী অধ্যাপক শংকর কুমার মল্লিক।
কাজী ইমদাদুল হক স্মৃতি পরিষদের সভাপতি সাংবাদিক প্রকাশ ঘোষ বিধানের সভাপতিত্বের অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন গদাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান গাজী জুনায়েদুর রহমান, পাইকগাছা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক দীপংকর সাহা, লেখক ও কবি সোহার্দ্য সিরাজ, পরিবারের সদস্য কাজী জামানউল্লাহ, সাংবাদিক সুমন্ত চক্রবর্তী।
শিক্ষক শিব শংকর রায়ের উপস্থাপনায় বক্তব্য রাখেন, প্রেসক্লাব পাইকগাছার সাধারণ সম্পাদক মহানন্দ অধিকারী মিন্টু, প্যানেল চেয়ারম্যান জগন্নাথ দেবনাথ, ব্রততী রায় প্রতিবন্ধি ট্রাস্টের প্রতিষ্ঠাতা প্রজিৎ কুমার রায়, লেখক ও কবি সুদয় কুমার মন্ডল, প্রদ্যুত ঘোষ, অশোক কুমার ঘোষ, আ. সবুর আল-আমিন, রিপন আহম্মেদ নূরআলী মোড়ল, মো. কওছার আলী, এম এ বারিক, শিক্ষক মাছুম বিল্লাহ, শিক্ষার্থী তনুজা খানম, সুমাইয়া সুলতানা।
আবৃতি করেন, নাজিয়া ফেরদৌসী, রাবেয়া আক্তার মলি, মাহমুদুল হাসান নাহিদ। অনুষ্ঠানে সমকালীন বাংলা সাহিত্যে বিশেষ অবদান রাখায় শংকর কুমার মল্লিক ও জি. এম. এমদাদ কে কাজী ইমদাদুল হক সাহিত্য সম্মাননা প্রদান করা হয়েছে।
মাধ্যমিক স্কুল পর্যায়ে কাজী ইমদাদুল হকের জীবনী রচনা প্রতিযোগিতায় ১৩ জন ছাত্র-ছাত্রীকে পুরস্কার প্রদান করা হয়।
অনুষ্ঠানে বক্তারা দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের কৃতি ব্যক্তি ও সুসাহিত্যিক কাজী ইমদাদুল হকের জন্মজয়ন্তি জাতীয়ভাবে পালন ও পাঠ্যপুস্তকে তার জীবনী এবং “আব্দুল্লাহ” উপন্যাস পুনরায় অন্তর্ভূক্ত করার দাবী জানান।
