৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা
ইন্দুরকানীতে খালাত ভাই খালাত ভাইকে শ্বাসরোধ করে হত্যা
ইন্দুরকানীতে শ্বশুর বাড়ি থেকে নিখোঁজ যুবককে তার খালাত ভাইরা নির্য়াতন করে শ^াস রোধ করে হত্যার পর তার লাশ ধান ক্ষেতে মাটি চাপা দেয়ার ঘটনায় ৭ জনকে আসামী করে ইন্দুরকানী থানায় হত্যা মামলা।
সোমবার নিহত সাগরের পিতা আমজাদ হোসেন মুন্সি বাদী হয়ে আটক নিহত সাগরের খালাত ভাই আজাদ মোল্লা, লাভলু মোল্লা সহ হত্যার সাথে জড়িত থাকা ৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।
এরআগে রবিবার দুপুরে উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের দরিচর ইকর বুনিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ধান ক্ষেতের মধ্যে তিন ফুট গভীর গর্তে মাটি চাপা দেয়া অবস্থায় নিখোঁজ সাগর মুন্সির (২১) লাশ পাওয়া যায়।
সাগর মোড়েলগঞ্জ উপজেলার তেতুলবাড়িয়া ইউনিয়নের সুতালরি গ্রামের আমজাদ মুন্সির ছেলে।
কিছু দিন পূর্বে সাগর ইন্দুরকানী উপজেলার পাড়েরহাটের বাড়ৈখালী গ্রামের শ্বশুর নজরুল ইসলামের বাড়িতে বেড়াতে আসেন। গত শুক্রব রাতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সাগরের খালাত ভাই আজাদ ও লাভলু মোল্লা পরিকল্পিত ভাবে তাকে শ^াস রোধ করে হত্যা করে মাটিতে পুতে রাখে। হত্যার সাথে জড়িত সন্দেহে পাড়েরহাটের পূর্ব বাড়ৈখালী গ্রামের মৃত জলিল মোল্লার ছেলে সাগরের খালাত ভাই আজাদ মোল্লা (১৪) কে রোবার আটক করে পুলিশ। তার দেয়া তথ্য মতে লাশটি উদ্ধার করা হয়।
গত শুক্রবার বিকালে সাগর দড়িচর ইকর বুনিয়া গ্রামে লাভলুর বাড়ি সংলগ্ন একটি দোকানে কলা বিক্রি করতে যায়। সেখান থেকে সাগর বাড়ৈখালী বাজারের দিকে যাওয়ার সময় লাভলু সাগরের উপর হামলা চালায়। সেখান থেকে উঠিয়ে লাভলুদের বাড়িতে নিয়ে যায়। এর পর থেকে সাগর নিখোঁজ থাকে।
নিখোঁজের বিষয়ে সাগরের শ্বাশুরি ফাহিমা বেগম শনিবার ইন্দুরকানী থানায় একটি জিডি করেন।
ইন্দুরকানী থানার ওসি হাবিবুর রহমান জানান, সাগরকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে মাটিচাপা দিয়ে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় নিহত সাগরের পিতা বাদী হয়ে সোমবার ইন্দুরকানী থানায় ৭ জনকে আসামী করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলাটি রেকর্ড করা হয়েছে এবং অন্য আসামীদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে।
উল্লেখ্য সাগর ইন্দুরকানীর পাড়েরহাটের উমেদপুর গ্রামের স্কুল ছাত্র সালাউদ্দিন হত্যা মামলার আসামী।
