টাকা ও টোকেন বাণিজ্য এবং অহেতুক হয়রানীসহ নানা অভিযোগে
মোংলায় নৌ থানার ওসির বিরুদ্ধে ভুক্তভোগীদের মানববন্ধন
টাকা ও টোকেন বাণিজ্য এবং অহেতুক হয়রানীসহ নানা অভিযোগে মোংলার চাঁদপাই নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হোসেন শরিফের বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছে এলাকাবাসী। বৃহস্পতিবার বিকেলে চিলা বাজারে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তৃতাকালে ভুক্তভোগীরা অভিযোগ করে বলেন, নৌ থানার ওসি আবুল হোসেন শরিফ নিরীহ মানুষকে ক্রস ফায়ার ও ডাকাতির মিথ্যা মামলায় ফাঁসানোর ভয় দেখিয়ে অর্থ হাতিয়ে নেন। এ ছাড়া মোংলা বন্দরে আগত দেশী-বিদেশী বানিজ্যিক জাহাজে কুকুর,বিড়াল সরবরাহ ও পাচারকারীদের প্রত্যক্ষ সহায়তা করছে। সুন্দরবনের গাছ পাচার,বন্যপ্রানী নিধন, সুন্দরবনের অভয়ারণ্য এলাকায় বিষ প্রয়োগে মাছ শিকারী চক্র এবং বন্দরের বানিজ্যিক জাহাজ কেন্দ্রিক চোরাকারবারীদের সঙ্গে রয়েছে তার গভীর সখ্যতা।
ওসির বিরুদ্ধে মানববন্ধনে অর্থ বাণিজ্য ও নানা অনিয়মের কথা বলেন চিলা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেনও। এ সময় তিনি বলেন, সুন্দরবনের অভ্যন্তরে ও পশুর নদীতে জেলে, বাওয়ালী ও মৌয়ালসহ পেশাজীবিদের যাতায়াত করতে ওসি আবুল হোসেন শরিফের ‘বিশেষ টোকেন’ নিতে হয়। ৫০০ টাকা করে তার (ওসি) কাছ থেকে ওই টোকেন কার্ড সংগ্রহ করতে হয় বলেও জানান চেয়ারম্যান আকবার গাজী। মানববন্ধনে আরও বক্তব্য রাখেন, চিলার ইউপি মেম্বর আব্দুল হালিম, উপজেলা কৃষক লীগের আহবায়ক মজিবর রহমান শেখ, স্থানীয় বাসিন্দা সলেমান শেখ ও মোঃ সেলিম প্রমুখ।
এ বিষয়ে মোংলার চাঁদপাই নৌ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবুল হোসেন শরিফ বলেন, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান গাজী আকবর হোসেন মানববন্ধনে যে অভিযোগ করেছেন তা সম্পূর্ণ মিথ্যা, তার ভাইপো ফারুককে জুয়া খেলার অভিযোগে আটক করায় তিনি এসব মিথ্যা অভিযোগ সাজিয়েছেন। আর টোকেন বাণিজ্যের প্রমাণ করতে পারলে আমার যে শাস্তি হবে আমি তা মেনে নেব বলেও জানান ওসি আবুল হোসেন।
