মঠবাড়িয়ায় আ’লীগ সম্পাদকের গাড়ি ভাংচুর ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা ॥ প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন
জেলার মঠবাড়িয়া উপজেলা চেয়ারম্যানের সমর্থকরা উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বরের গাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলার প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে উপজেলা আওয়ামী লীগ নের্তৃবৃন্দ। শুক্রবার রাত ৮টার দিকে উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় দলের সাধারণ সম্পাদক ও ঐশী কনষ্ট্রাকশনের স্বত্বাধীকারী আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর লিখিত বক্তব্যে বলেন, গত সংসদ নির্বাচন এবং উপজেলা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে মঠবাড়িয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ দ্বিধা বিভক্তি হয়ে পড়ে। দলের হাতকে শক্তিশালি করতে ছাত্র জীবন থেকেই সন্ত্রাসী কিংবা গ্রুপিংয়ের রাজনীতি আমি সমর্থন করিনি। সকল নেতা-কর্মীকে সাথে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করেছি। কিন্তু দলের মনোনয়ন না পেয়ে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগ সদস্য আশরাফুর রহমান দলের মনোনয়ন না পেয়ে তার বড় ভাই রিয়াজ উদ্দিনকে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে উপজেলা চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করান। আমি নির্বাচনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় বিদ্রোহীরা আমার ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ৫ সেপ্টেম্বর বিকেলে আমার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে হামলা করে আমার মটর সাইকেল ভাংচুর ও কর্মচারীকে মারধর করে। এ ঘটনায় চারজন এজাহারনামীয় ও অজ্ঞাত ৩০/৩৫ জনকে আসামী করে মঠবাড়িয়া থানায় একটি মামলা করে। কিন্তু ঘটনার ২৪ ঘন্টা পার হলেও কোন আসামী গ্রেফতার হয়নি। অবিলম্বে জড়িত আসামীদের গ্রেফতার ও বিচারের দাবী জানাই।
এ সময় উপজেরা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খলিলুর রহমান আকন, পৌর আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক পরিতোষ বেপারী, সহ-সভাপতি সাবেক কমিশনার হেমায়েত উদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগ সাংগঠনিক সম্পাদক লোকমান হোসেন খান, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক ফজলুল হক মনি, জেলা পরিষদ সদস্য ইলিয়াস উদ্দিন হেলাল মুন্সি, ইউপি চেয়ারম্যান ফজলুল হক খান রাহাত, ইব্রাহিম খলিল ফরাজী, এবিএম ফারুক হাসান, রফিকুল ইসলাম রিপন জমাদ্দার, নাসির উদ্দিন হাওলাদার, হারুন অর রশীদ তালুকদার, উপজেলা যুবলীগ সভাপতি আবু হানিফ খান, সাধারণ সম্পাদক নজরুল ইসলাম সোহেল, উপজেলা ছাত্রলীগ সভাপতি শরীফুল ইসলাম রাজু উপস্থিত ছিলেন।
