প্রধান সূচি

ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়

বাগেহাটে ঈদের ফিরতি টিকিটে যাত্রীদের কাছ থেকে বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। ঈদ শেষে কর্মস্থলে ফেরা বাস যাত্রীদের এক প্রকার জিম্মি করে মাত্রাতিরিক্ত বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ জেলার প্রায় সবকটি পরিবহন সার্ভিসের বিরুদ্ধে। ঈদ শেষে কর্মস্থালে ফেরা যাত্রীদের জিম্মি করে এভাবে বাড়তি ভাড়া আদায়ের ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।

ভুক্তভোগী ঢাকাগামী একাধিক চাকুরীজীবী যাত্রীরা অভিযোগ করে বলেন, বাগেরহাট বাস টার্মিনাল এলাকায় প্রকাশ্যে হাকডাক করে বাড়তি ভাড়া আদায় করা হলেও এর কোনও প্রতিকার মিলছে না। বাধ্য হয়েই যাত্রীদের গুনতে হচ্ছে বাড়তি ভাড়া।

কচুয়া থেকে বাগেরহাট বাসস্টান্ডে ঢাকার সায়দাবাদ যাওয়ার জন্য টিকিট কাটতে আসা মো. শাহীন বলেন, আমি প্রায়ই গ্রামীন সার্ভিস পরিবহনে যাতায়াত করি। বাগেরহাট থেকে ঢাকার ভাড়া ৪৫০ টাকা। কিন্তু ঈদের অজুহাত দিয়ে ‘গ্রামীন পরিবহন’ আমার কাজ থেকে ৭০০ টাকা নিয়েছে।

ঢাকাগামী আর এক চাকুরীজীবী মো. সোহাগ বলেন, চাকুরীর সুবাদে ঢাকা যেতে হচ্ছে তাই বাধ্য হয়ে ১৩শ’ টাকা দিয়ে “বনফুল ট্রান্সপোর্টে” আমি আর আমার বন্ধু দুটি টিকিট কেটেছি। এক প্রকার বাধ্য হয়ে যাত্রীরা টাকা দিচ্ছে। এটা কোন নিয়ম হতে পারে না বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

বাস ভাড়া বেশি নেওয়ার কথা স্বীকার করে বাগেরহাট গ্রামীন পরিবহনের কাউন্টার ম্যানেজার মো. ফেরদাউস বলেন, ঈদের সময় আমরা সাড়ে ৪শ’ টাকার ভাড়া ৭শ’ টাকা নিচ্ছি। কারণ ঢাকা থেকে ফেরার সময় যাত্রী না থাকার কারনে আমাদের ফাঁকা গাড়ী নিয়ে ফিরতে হয়।

বনফুল ট্রান্সপোর্টের ম্যানেজার মো. সোহেল বলেন, বাড়তি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে, তবে এ বিষয়ে আমি কিছু বলতে পারবো না। মালিক পক্ষ থেকে বলা হয়েছে বলে বাড়তি টাকা নেয়া হচ্ছে।

বাগেরহাট আন্ত:জেলা বাস-মিনিবাস মালিক সমিতির সাধারণ বাকী তালুকদার বলেন, আমাদের লোকাল বাসগুলো থেকে অতিরিক্ত কোন ভাড়া আদায় করা হয় না। কিন্তু ঢাকাগামী পরিবহনগুলো আমাদের সমিতি ভূক্ত না হওয়ার কারণে তারা ইচ্ছামত ভাড়া আদায় করছে। আমি এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial