কৃষি শুমারি ২০১৯
মঠবাড়িয়ায় কৃষকদের মধ্যে ব্যপক আগ্রহ
কৃষি শুমারি ২০১৯ কে ঘিরে মঠবাড়িয়া উপজেলার কৃষকদের ব্যপক মধ্যে আগ্রহ দেখা গেছে। সারা দেশের ন্যায় গত ০৯ জুন রবিবার থেকে মঠবাড়িয়া উপজেলায়ও কৃষি শুমারি শুরু হয়েছে। আগামী ২০ জুন পর্যন্ত নিরবিচ্ছিন্নভাবে এ শুমারি চলবে। কৃষি খানার আকার, জমির মালিকানা, ভূমির ব্যবহার, আবদকৃত জমির আয়তন, গবাদপশু ও হাঁস-মুরগির সংখ্যা, কৃষি যন্ত্রপাতি ইত্যাদি বিষয়ে শুমারিতে তথ্য সংগ্রহ করা হবে।
উপজেলা পরিসংখ্যান অফিস সূত্রে জানাযায়, শুমারি সঠিকভাবে সম্পন্নের জন্য উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও ১টি পৌর সভায় ৫ জন জোনাল অফিসার, ৪১ জন সুপারভাইজার ও ২৭০ জন গণনাকারী নিয়োগ করা হয়েছে।
সরেজমিনে উপজেলার বাঁশবুনিয়া গ্রামে গণনাকাজে নিয়োজিত ইসরাত জাহান তমা জানান, কৃষি শুমারি নিয়ে কৃষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। আমাদের দেশ কৃষি প্রধান দেশ হলেও শুমারি বিষয়ে কৃষকদের মধ্যে অজ্ঞতা আছে। তবে অধিকাংশ কৃষকই শুমারিকে স্বাগত জানিয়েছেন। কৃষি ও কৃষকের অবস্থা উন্নয়নে শুমারি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাকবে বলে তমা জানান।
জোনাল অফিসার (মিরুখালী-দাউদখালী ইউনিয়ন) মোঃ ওবায়দুল হক জানান, কৃষি শুমারি রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ। তাই শুমারি সঠিকভাবে সম্পন্নের জন্য বাড়ি বাড়ি গিয়ে গণনাকরীদের কাজ তদারকি করেন বলে তিনি জানান।
এ বিষয়ে পিরোজপুর জেলা পরিসংখ্যান অফিসের উপ-পরিচালক মাকসুদুর রহমানের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, ১০ বছর পর পর শুমারি হয়। এই ১০ বছরে কি পরিমান জনবল ছিল এখন কি পরিমান আছে, আগে কি ধরনের শষ্য কৃষকরা চাষ করত এখন কি ধরনের শষ্য চাষ করে, কোন ফসলে কতটুকু ভূমি ব্যবহার হচ্ছে মূলত এই তথ্য গুলো আমরা শুমারির মাধ্যমে জানতে পারব। তিনি গণনাকারীদের সঠিক তথ্য দিয়ে সহায়তা করার জন্য সকলের প্রতি আহবান জানান।
