কাউখালীতে রাতে দুর্বৃত্তের হামলা নারীসহ আহত ৭
পিরোজপুরের কাউখালীর কুমিয়ান গ্রামে রাতের বেলা বাড়ির ভিতর ঢুকে দুর্বৃত্তরা হামলা চালিয়ে স্থানীয় মসজিদের খাদেম ও তার পরিবারের মহিলাসহ ৭ জন মারাত্মক আহত করেছে। এসময় বাড়ি ভাংচুরেরও ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থলে সকাল থেকে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।
হামলায় আহতরা হলেন, মনির হাওলাদার (৩৫),আয়না বেগম (৬০), খাদিজা বেগম (৩৫)কে বরিশাল শেরে এ বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। এছাড়া আ. মজিদ হাওলাদার (৬৫), রিপন (৩০), তাজেল (৫৫) ও বেলায়েত (৩৫)কে কাউখালী স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী ও স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা জানান, শুক্রবার বিকেলে উপজেলার আমরাজুড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সামনে কুমিয়ান বায়তুল আকসা জামে মসজিদের উন্নয়নের জন্য মসজিদের পাশে সন্ধ্যা নদীতে ভিড়ানো জাহাজে মসজিদের খাদেম কুমিয়ান নিবাসী আ. মজিদ (৬৫) চাঁদা কালেকশন করতে গেলে স্থানীয় বালু ও পাথর ব্যবসায়ী গোপাল চন্দ্রের ছেলেরা বাঁধা দেয় এবং খাদেমের উপর চড়াও হয়। এক পর্যায়ে উভয়ের মধ্যে বাক বিতন্ডা হয়। পরে স্থানীয়রা তাৎক্ষনিক বিষয়টি মিমাংসা করে দেন।
পরবর্তীতে ওই দিন (শুক্রবার) রাে সাড়ে ১১টার দিকে গোপাল চন্দ্রের ছেলে সত্য চন্দ্র, ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র, সুধীর চন্দ্র, ও কালু চন্দ্রের নেতৃত্বে মসজিদের খাদেম আ. মজিদের বাড়ীতে লাঠি সোটা নিয়ে আতর্কিত হামলা চালায়। হামলাকারীরা একই পরিবারের নারীসহ ৭ জনকে পিটিয়ে ও কুপিয়ে জখম করে এবং এলাকায় ত্রাসের রাজত্ব কায়েম করে। এসময় হামলকারীরা আ. মজিদের বসতঘরও ভাংচুর করে। বাড়ির লোকজনের ডাক-চিৎকারে গ্রামবাসী ও পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। পুলিশ আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
কাউখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, হামলার ঘটনায় কাউখালী থানায় একটি মামলা হয়েছে এবং ইন্দ্রজিৎ চন্দ্র নামে এক আসামীকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
