প্রধান সূচি

মোংলা ইপিজেড কর্মকর্তা জেল হাজতে

বাগেরহাটের মোংলা ইপিজেডের সাব-এ্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) মো. হিজবুল বাহারকে (৩৮) নারী নির্যাতন মামলায় জেল হাজতে পাঠিয়েছে আদালত। তার দ্বিতীয় স্ত্রীর দায়ের করা মামলায় বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেন। বৃহস্পতিবার বাদী পক্ষের আইনজীবী গোলাম মোর্তুজা সোহেল আহম্মদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, প্রথম স্ত্রী সন্তানের কথা গোপন করে ভুল ঠিকানা দিয়ে মোংলা ইপিজেডের সাব-এ্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার (ইলেকট্রিক্যাল) মো. হিজবুল বাহার খুলনা সোনাডাঙ্গা আবাসিক এলাকার মো. জিয়া উদ্দিনের মেয়ে মোসাঃ নুসরাত বাহারকে ২০১৬ সালের ১৮ মার্চ বিয়ে করেন। কিছুদিন পর হিজবুল বাহার যৌতুকের দাবীতে স্ত্রীর উপর নির্যাতন শুরু করেন। ২০১৮ সালের ১৬ মে মোসাঃ নুসরাত বাহারের মায়ের মৃত্যুর পর এই নির্যাতন আরো বেড়ে যায়। এ বছরের ১১ জুন নুসরাত স্বামী হিজবুল বাহারের বাসায় গেলে তাকে যৌতুকের দাবীতে বেদম প্রহার করে।

পরে মোসাঃ নুসরাত বাহার বাগেরহাট নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়ের করেন। গত ২৮ সেপ্টেম্বর  আদালতে আত্মসর্ম্পন করে জামিনের আবেদন করলে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে তাকে জেল হাজতে প্রেরনের নির্দেশ দেয়।

মোসাঃ নুসরাত বাহার বৃহস্পতিবার সকালে সাংবাদিকদের জানান, হিজবুল বাহার প্রতারণা করেছেন। বাগেরহাটের একটি অর্থলগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানে টাকা রাখার কথা বলে তার মায়ের মৃত্যুর আগে হিজবুল বাহার ২২ লাখ টাকা নিয়েছিলেন। তিনি বর্তমানে এই কথা অস্বীকার করছেন।

মোংলা ইপিজেড এর মহাব্যবস্থাপক জানান, ইপিজেডের সাব-এ্যাসিস্টান্ট ইঞ্জিনিয়ার মো. হিজবুল বাহার মাত্র একদিনের ছুটি নিয়েছিলেন। এখন তিনি কোথায় আছেন তা জানা নেই। তবে তিনি অফিসে আসলে অনুপস্থিতির কারণ দর্শনো হবে। তাছাড়া আদালতের কপি পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে তিনি জানান।

Please follow and like us:


« (পূর্ববর্তি সংবাদ)



উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial