প্রধান সূচি

জামাই’র নির্যাতনে মেয়ে হত্যার অভিযোগ মেয়ের পরিবারের

ইন্দুরকানীর এক কৃষকের মেয়েকে নির্যাতন করে তার মেয়ে জামাই হত্যা করেছে বলে অভিযোগ করেছেন মেয়ের পিতা। রবিবার উপজেলার ইন্দুরকানী গ্রামের কৃষক সুনীল চন্দ্র বাওয়ালী ইন্দুরকানী প্রেসক্লাবে তার মেয়ে নিপা বাওয়ালীকে মেয়ের জামাই সুব্রত মৃধা নির্যাতন করে হত্যা করেছে বলে লিখিত অভিযোগ করেন।

অভিযোগে তিনি জানান, পিরোজপুর জেলার নাজিরপুর উপজেলার ঘরঘাটা গ্রামের সুখরঞ্জন মৃধার ছেলে সুব্রত মৃধার সাথে আড়াই বছর আগে তার ছোট মেয়ে নিপা বাওয়ালী (২৬) বিবাহ দেন। বিবাহের কিছুদিন পরই তার জামাই স্বর্ণের চেইন ও নগদ ৫ লক্ষ টাকা যৌতুক দাবি করেন। কিন্তু বিয়ের ৬ মাস পরই জামাই সুব্রত সিংগাপুর চলে যায়। সেখান থেকে গত কয়েকদিন আগে ফিরে এসে স্ত্রীকে যৌতুকের টাকার জন্য শারীরিক ও মানষিক নির্যাতন করতে থাকে। যা আমার মেয়ে আমাদের ও আমার বড় মেয়েকে মোবাইল ফোনে জানিয়েছে। যৌতুক না পেয়ে পরে গত বৃহস্পতিবার জামাই নির্যাতন করে আমার মেয়েকে হত্যা করে মুখে চালের দেয়া পোকার বড়ি দিয়ে আত্মহত্যা করেছে বলে জানায়। খবর পেয়ে নাজিরপুর থানায় গিয়ে জানতে পারি আমার মেয়ে আর বেঁচে নেই। ময়না তদন্তের পর লাশ নিয়ে এসে আমার নিজ গ্রাম ইন্দুরকানীতে শুক্রবার সমাহিত করি। আমি আমার মেয়ের হত্যার বিচার চাই। এ বিষয়ে আমি আদালতে মামলা করবো।

নিপার মা উশা রানি সাংবাদিকদের বলেন, নির্যাতনের কথা নিপা মোবাইলের মাধ্যমে আমাদের জানান। কিন্তু আমার মেয়েকে ওরা বাঁচতে দিল না। আমরা এর বিচার চাই।

অভিযুক্ত সুব্রত মৃধার মোবাইল ফোনে কল দিলে তিনি অন্য এক নারীকে দিয়ে ফোনটি রিসিভ করান। সেই নারী বলেন ফোনটি চার্যে রাখা হয়েছে। সুব্রত এখানে নেই।

নাজিরপুর থানার ওসি সুলতান মাহামুদ জানান, গৃহবধূ নিহতের ঘটনায় একটি অপমৃত্যু মামলা করা হয়েছে। লাশ ময়না তদন্ত শেষে তার পিতার কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। তবে এটি হত্যা না আত্মহত্যা তা ময়না তদন্তের রিপোর্টের উপর নির্ভর করবে।

Please follow and like us:





উত্তর দিন

Wordpress Social Share Plugin powered by Ultimatelysocial