স্বরূপকাঠীতে অগ্নিকান্ডে বসতঘরসহ ৬ দোকান ভষ্মিভূত
স্বরূপকাঠীতে দু’দিনে দুটি ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে বসতঘরসহ ৬টি দোকানঘর পুড়ে গেছে। এতে ত্রিশ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়-ক্ষতি হয়েছে। রবিবার ও শনিবার এ দু’দিনে উপজেলার উত্তর পশ্চিম সোহাগদল, ইন্দুরহাট ও আকলম মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের খালের দক্ষিনপাড় এলাকায় পৃথক ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে।
রবিবার দিবাগত রাতে উপজেলার উত্তর পশ্চিম সোহাগদল ও ইন্দুরহাট পাঠাগার এলাকায় পৃথক দুটি অগ্নিকান্ডে ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ২৫ লক্ষাধিক টাকা বলে জানান সোহাগদল ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আব্দুর রশিদ। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে এ অগ্নিকান্ডের কারণ বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী সুত্রে জানা গেছে, উত্তর পশ্চিম সোহাগদল এলাকায় ঐদিন রাত আনুমানিক ১ টার দিকে বরকতে মেকারের দোকানে আগুন দেখে মুদি দোকানদার রিয়াদ চিৎকার দিলে এলাকাবাসী ছুটে এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা চালায়। আগুনের লেলিহান শিখায় রব মিয়ার মুদি দোকান, আকতারের চায়ের দোকান, মজনুর সেলুন ও বরকতের মেকারের দোকান সম্পুর্ন ভস্মীভুত হয় এবং মতলেবের চালের দোকান ও কবিরের মুরগীর ফার্ম আংশিক পুড়ে যায়। একই রাতে অপর এক অগ্নিকান্ডে ইন্দুরহাট পাঠাগার এলাকায় রাজবাড়ি কলেজের প্রভাষক নাসির উদ্দিন মল্লিকের ভাড়া বাসাটি মালামালসহ পুড়ে যায়।
এদিকে, শনিবার গভীর রাতে উপজেলার আউরিয়া এলাকায় ভয়াবহ অগ্নিকান্ডে দুটি দোকান সম্পূর্ন ভস্মিভুত হয়। শনিবার গভীর রাতে আকলম মুসলিম মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের সামনের দক্ষিন পাড়ের ওই অগ্নিকান্ডের ঘটনা ঘটে। এতে প্রায় পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানা গেছে।
এলাকাবাসী জানায়, শনিবার রাতে দোকান বন্ধ করে দোকানীরা বাড়ী চলে যায়। ভোর রাতে এলাকার লোকজন দোকানে আগুন ]দেখে ডাক চিৎকার দিলে লোকজন ছুটে গিয়ে আগুন নেভাতে শুরু করে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে এক ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নেভাতে সক্ষম হয়।
আগুনে নুরুল ইসলামের মুদি দোকান ও আজাদ মিয়ার ভ্যারাইটিজ মালামালের দোকানঘর সম্পূর্ন ভস্মিভুত হয়। বৈদ্যুতিক শর্ট সার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত বলে ধারনা করা হচ্ছে।
