স্বরূপকাঠীতে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা
স্বরূপকাঠী উপজেলার স্বরূপকাঠি শহীদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজ শাখা কমিটি ঘোষণা নিয়ে ছাত্রলীগের দু’পক্ষের তুমুল উত্তেজনায় হাতাহাতি হয়েছে।
মঙ্গলবার দুপুরে কলেজ চত্ত্বরে কমিটি থেকে পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ কর্মীদের সাথে পদপ্রাপ্ত করা ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের মাঝে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। তবে এ নিয়ে এ রিপোর্ট লেখার আগ পর্যন্ত দু’পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
পদবঞ্চিত ছাত্রলীগ নেতাদের অভিযোগ থানা ছাত্রলীগ সভাপতি রণি দত্ত ও সম্পাদক কোন প্রকার সাংগঠনিক নিয়ম-কানুন না মেনে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে নিজেদের মনোনীত লোককে দলের গুরুপ্তপূর্ন পদে আসিন করেছেন। যা অগ্রহনযোগ্য, অগণতান্ত্রিক।
থানা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি শ্যামল দত্তসহ অনেকে অভিযোগ করে বলেন, থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রনি দত্ত দলের কাউকে কিছু না জানিয়ে নিজের একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করতে নিজের মনোনীত লোকদের কমিটিতে বসিয়েছে। যা সাংগঠনের পরিপন্থী। আর তার এই কার্যক্রমকে ধিক্কার জানাতে পদবঞ্চিত ছাত্র নেতারা বিক্ষোভ মিছিল বের করেছিল। তা রণি দত্তের লোকেরা সহ্য করতে না পেরে মিছিলের উপর হামলা চালানোর চেষ্টা করেছিল।
অপরদিকে, থানা ছাত্রলীগের সভাপতি রনি দত্ত বলেন, আমরা স্বচ্ছ কমিটি করার লক্ষ্যে মাদকাশক্ত, কলেজের বহিরাগত লোকদের বাদ দিয়ে সাংগঠনিকভাবে এ কমিটি করেছি। যারা কমিটিতে আসতে এ হামলা চালিয়েছে তারা কলেজের বহিরাগত। আমাদের সাংগঠনিক কোন কার্যক্রমে তাদের কখনো দেখিনি। রণিদত্ত আরো বলেন, কলেজ ছাত্রলীগের নব গঠিত কমিটির উপর যারা হামলা চালাতে চেয়েছে এজন্য বিচার চেয়ে স্বরূপকাঠী থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছি।
স্বরূপকাঠী থানার ওসি (তদন্ত) মো. শহিদুল ইসলাম বলেন কোন মারামারি হয়নি। তবে কমিটির ব্যাপার নিয়ে তাদের দু’পক্ষের মধ্যে একটা হাতা-হাতির সৃষ্টি হতে গিয়েছিল। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেছি। এনিয়ে তারা উভয়পক্ষ থানায় একটা অভিযোগ দিয়েছে।
উল্লেখ্য, গতকাল সোমবার জুলাই প্রশান্ত দাসকে সভাপতি ও বেল্লাল হোসেনকে সম্পাদক করে শহিদ স্মৃতি ডিগ্রী কলেজের কমিটি ঘোষিত হয়। আর সে কমিটিতে পদ-পদবী না পেয়ে পদ বঞ্চিতরা বিক্ষোভ মিছিল বের করলে উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়।
