গাছ চাপায় নিহত-১ : আহত-৫
বাগেরহাটে ঘুর্নিঝড়ে ট্রলার ডুবি
শনিবার বিকেলে বয়ে যাওয়া ঝড়ে বাগেরহাট শহরের দড়াটানা নদীতে একটি শামুক বোঝাই ট্রলার উল্টে ডুবে যায়। এসময় ট্রলারে থাকা আলম হাওলাদার, হাফেজ মাতুব্বার, কালু হাওলাদার, মো. জাফর, ওমর আলী, বাইজিত মাতুব্বার, আসাদুল হক সাতরিয়ে প্রাণ রক্ষা করেন। ট্রলার মালিক মিজান বিশ্বাস জানান, চরদোয়ানী থেকে শামুক নিয়ে ৪দিন আগে বাগেরহাট আসে। শনিবার বিকেলে ঝড়ে হঠাৎ দড়াটানা নদীতে থাকা ট্রলারটি উল্টে গিয়ে ডুবে যায়। এসময় ট্রলারে থাকা মাঝিসহ ৭জন শ্রমিক সাতরিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। এঘটনায় ৩ তিন সামান্য আহতসহ প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি জানান। অপরদিকে বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলায় ঝড়ে গাছ চাপা পড়ে অরুন দাস (৩৮) নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। এসময়ে আহত হয়েছে আরও দুজন। শুক্রবার রাতে খুলনা- মোংলা মহাসড়কের ফকিরহাটের খাজুরা নামক স্থানে এদূর্ঘটনা ঘটে। নিহত তরুন খুলনা শহরের ধর্মসভা ক্রসরোডের মৃত যোগেশ দাসের ছেলে। নিহতের খুলনা পিকচার প্যালেস মোড়ে জলিল টাওয়ারে কাপড়ের ব্যবসা আছে। তারা বাগেরহাট সদরের রণজিৎপুরে আত্মীয়ের বাড়ী থেকে খুলনায় যাবার পথে এই দূর্ঘটনা ঘটে।
বাগেরহাটের কাটাখালী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিজুল ইসলাম জানান, রাত ১১টার দিকে একটি মহেন্দ্র যোগে খুলনায় যাচ্ছিলেন অরুন দাস ও তার বড় ভাই অশোক দাস (৫২) পথে ঝড়-বৃষ্টির মধ্যে খুলনা-মোংলা মহাসড়কের ফকিরহাটের খাজুরা কাকডাঙ্গা এলাকায় তাদের বহনকারী মহেন্দ্র গাড়ীর উপর কালীবাবলা গাছসহ পল্লী বিদ্যুতের একটি খুটি ভেঙ্গে পড়লে ঘটনাস্থলে অরুন দাসের মৃত্যু হয়। আহত হয় নিহতের বড় ভাই অশোক দাস ও মহেন্দ্র চালক। আহতদের উদ্ধার করে রাতেই খুলনা মেডিকিল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তবে, আহত মহেন্দ্র চালকের নাম জানাতে পারেনি পুলিশ। নিহতের লাশের ময়না তদন্ত শনিবার সকালে বাগেরহাট হাসপাতাল মর্গে সম্পন্ন হয়েছে।
