Tuesday, December 12th, 2017
কচুরিপানার স্তুপ
ইন্দুরকানীতে বিভিন্ন নদীতে নৌযান চলাচলে প্রতিবন্ধকতা
চলতি শীত মৌসুমে শুরুতেই কচুরিপানার স্তুপে ঢেকে গেছে ইন্দুরকানীর বিভিন্ন নদ-নদী । সেই সাথে নৌপথ কুয়াশায় আবৃত থাকায় ফেরি, লঞ্চ ও ষ্টিমারসহ বিভিন্ন ক্ষুদ্র নৌযান চলাচল এখন প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। ফলে নৌযানগুলোকে গন্তব্যে যেতে বিলম্ব হচ্ছে। অভ্যন্তরীর নদীপথ ঘুরে দেখা গেছে, কচা, বলেশ^র ও পানগুছি নদীসহ প্রায় সব নদী ও খালে কচুরিপানার স্তুপে ভরে গেছে। ফেরিসহ অন্যান্য নৌযানগুলো বিশেষ সতর্কতায় সাথে চলাচল করতে হচ্ছে। কখনও কখনও কচুরিপানার জটে ফেরি আটকে গিয়ে বিড়ম্বনায় পড়তে হয় ফেরি চালকদের। পাড়েরহাট নৌ বন্দরের কচা ও বলেশ^র নদীতে পানি প্রবাহ হ্রাস পাওয়ার পাশাপাশি কচুরিপানায় ঢেকেবিস্তারিত পড়ুন
ইন্দুরকানীতে জাতীয় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস পালিত
ইন্দুরকানীতে তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি দিবস উপলক্ষে র্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল ১০ টায় ইন্দুরকানী উপজেলা পরিষদের সামনে থেকে র্যালিটি শুরু হয়ে উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিন শেষে উপজেলা পরিষদের সামনে শেষ হয়। পরে উপজেলা পরিষদ সভাকক্ষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ফায়জুল কবির তালুকদার, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মৃধা মোঃ মনিরুজ্জামান, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা শেখ তৌহিদ্দিন ভুইয়া, নির্বাচন অফিসার মোঃ রোকনুজ্জামান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মীর একে এম আবুল খায়ের, প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সাকিনা বেগম, পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তাবিস্তারিত পড়ুন
মঠবাড়িয়ায় গাঁজাসহ তিন ব্যবসায়ী গ্রেফতার
মঠবাড়িয়া থানা পুলিশ সোমবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর মিঠাখালী ব্রাক অফিসের সামনে অভিযান চালিয়ে ৫০ গ্রাম গাঁজাসহ তিন মাদক ব্যবসায়ীকে আটক করেছে। আটককৃতরা হল, উপজেলার মিঠাখালী গ্রামের মালেক চৌকিদারের ছেলে রাসেল (২২), খলিলুর রহমানের ছেলে রাসেল হাওলাদার (৩০) এবং কাঠালিয়ার সোনাভিটা গ্রামের আল আমিন (২২)। মঠবাড়িয়া থানার অফিসার ইনচার্জ কে.এম তারিকুল ইসলাম জানান, আটককৃতদের নামে মাদক নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়ের করে মঙ্গলবার সকালে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
অবিরাম বৃষ্টিতে মঠবাড়িয়ায় ফসলের ব্যাপক ক্ষতি
গত চারদিনের অব্যাহত বৃষ্টিতে মঠবাড়িয়ায় আমন ধানসহ শীতকালীন ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, অসময়ের বৃষ্টিতে দুধওয়ালা আমন ধান ক্ষেত ক্ষতিসহ চার হাজার হেক্টর জমির খেসারী, ১শ’ হেক্টর জমির আলু, ১৫ হেক্টর জমির সরিষা, ৩ হেক্টর জমির গমের আংশিক ক্ষতি হয়েছে। এছাড়াও ১শ’ হেক্টর জমিতে শীতকালীন পালং শাক, টমেটো, বেগুন, মুলা, শিম, ফুলকপি, বাধাকপি ক্ষতিগ্রস্থ হয়। যদিও বেসরকারীভাবে এর ক্ষতির পরিমাণ কয়েকগুণ বেশী। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মুহাম্মদ মনিরুজ্জামান বলেন, বৃষ্টি যদি অব্যহত থাকে এবং মাঠে পানি জমে থাকলে উল্লেখিত ফসলের ক্ষেত সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্থ হবে। তবেবিস্তারিত পড়ুন
