ইন্দুরকানীতে ছাত্র সমাজের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ ॥ আহত ১৫
ইন্দুরকানী প্রতিনিধি :
ইন্দুরকানীতে জাতীয় পার্টি (জেপি) চেয়ারম্যান ও পরিবেশ ও বন মন্ত্রী আনোয়ার হোসেন মঞ্জু এমপি’র শুভেচ্ছা লিফলেট (কাউখালী-ভান্ডারিয়া-ইন্দুরকানী উপজেলার সকল জনসাধারণকে শুভেচ্ছা ও মোবারকবাদ) বিতরণকে কেন্দ্র করে ছাত্র সমাজের দুই গ্রুপের সংঘর্ষে উভয় পক্ষের ১৫ জন আহত হয়েছে। এসময় অফিসে থাকা মন্ত্রীর ছবি ও চেয়ার ভাংচুর করা হয়।
জানা যায়, সোমবার উপজেলার ইন্দুরকানী জাতীয় পার্টি (জেপি) কার্যালয়ে উপজেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মজনু হোসেন রনি ও সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান গ্রুপের মধ্যে মন্ত্রীর শুভেচ্ছা লিফলেট ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার জন্য যাতায়াত খরচ বাবদ দেয়া টাকার ভাগাভাগি নিয়ে কথার কাটাকাটির এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এসময় উপজেলা ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মজনু গ্রুপের খায়রুল বাশারের উপর হামলা করলে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। তখন অফিসে থাকা দলের চেয়ারম্যান পরিবেশ ও বন মন্ত্রীর ছবি ও চেয়ার ভাংচুর করে।
সংঘর্ষে মজনু গ্রুপের মজনু, খায়রুল বাশার, মামুন, মুনান সিকদার, আলামিন এবং অপর গ্রুপের আক্তারুজ্জামান, ইমরান, বাবলু, শাহারিয়ারসহ ১৫ জন আহত হয়েছে।
পরে ইন্দুরকানী থানা পুলিশ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনে। এব্যাপারে ইন্দুরকানী উপজেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মজনু হোসেন রনি জানান, জাতীয় পার্টি-জেপির চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন মঞ্জুর শুভেচ্ছা লিফলেট ঘরে ঘরে বিতরণ করা নিয়ে উপজেলা ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামানের সাথে কথার কাটকাটি হলে উত্তেজিত হয়ে আক্তারুজ্জামান আমার গ্রুপের খায়রুল বাশারসহ নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় এবং মন্ত্রীর ছবি ও চেয়ার ভাংচুর করে।
অপরদিকে উপজেলা ছাত্র সমাজের সদস্য সচিব আক্তারুজ্জামান জানান, উপজেলা ছাত্র সমাজের আহ্বায়ক মজনু হোসেন রনি মন্ত্রীর দেয়া লিফলেট বিতরণের খরচ বাবদ ৫০ হাজার টাকা আমাদের না দিয়ে ঢাকা যাতায়াত খরচ ও অন্যান্য খরচ বাবদ ভাগ বাটোয়ারা করেছে। জানতে চাইলে আমিসহ আমার নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায় এবং অফিসের চেয়ার ও মন্ত্রীর ছবি ভাংচুর করে। তাদের হামলায় আমিসহ ১০ জন আহত হয়েছে।
উপজেলা জেপির সভাপতি আসাদুল কবির তালুকদার জানান, মন্ত্রীর শুভেচ্ছা লিফলেট বিতরণকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে ছাত্র সমাজের দ্ইু গ্রুপের কয়েকজন আহত হয়েছে। তবে উভয় পক্ষকের্ অফিসে ডেকে আলোচনার মাধ্যমে মিমাংসার চেষ্টা চলছে।
